তানজিদ তামিমের নিঃসঙ্গ লড়াই!

তানজিদ হাসান তামিম রানের সন্ধানে ছিলেন, তবে তা এসেও যেন আসছিল না। এবার এলো ঠিকই, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে রানে ফিরলেন তিনি, খেললেন ৬১ রানের দারুণ এক ইনিংস। তবুও দিনশেষে এটা কেবল আক্ষেপ বাড়িয়েছে।

তানজিদ হাসান তামিম রানের সন্ধানে ছিলেন, তবে তা এসেও যেন আসছিল না। এবার এলো ঠিকই, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ বাঁচানোর ম্যাচে রানে ফিরলেন তিনি, খেললেন ৬১ রানের দারুণ এক ইনিংস। তবুও দিনশেষে এটা কেবল আক্ষেপ বাড়িয়েছে।

ক্রিকেট দলগত খেলা। এখানে একা হাতে সবসময় ম্যাচ জেতানো যায় না। যার প্রমাণ স্বয়ং তানজিদ তামিম। একটা সঙ্গিহীন লড়াই চালালেন তিনি। সঙ্গ পেলে হয়তো শেষটাতে জয়ের হাসি নিয়েই ফিরতে পারতেন।

লক্ষ্যটা খুব বেশি ছিল না। আধুনিক যুগের টি-টোয়েন্টিতে এই রান চেজ করা যায় হেসেখেলেই। তামিম শুরুটাও সেভাবেই করেছিলেন। উইন্ডিজ ফিল্ডারদের সুবাদে জীবন পেয়েছিলেন তিনি, তা কাজে লাগাতেও ভুল করেননি।

একপ্রান্ত আগলে রাখলেন, রান রেটের দাবি মেটানোর চেষ্টা করলেন। তবে অন্য পাশে যে তখন চাপ জমেছে।  ১০০ স্ট্রাইক রেটের নিচে ব্যাট করেছেন সতীর্থ তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলীরা । আর তাতেই চাপটা ক্রমাগত পাহাড়সম হয়ে দাঁড়ায়।

তানজিদ তামিম সেই চাপ সামলানোর সর্বোচ্চ চেষ্টাটাই করেছেন। ৪৮ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলেছেন, ১৮ তম ওভার পর্যন্ত উইকেটে থেকেছেন। তবে অন্যপ্রান্তে পর্যাপ্ত সাপোর্ট পাননি। আর তাতেই তামিমের এমন ইনিংসটা ফ্যাকাসে হয়েছে। তবে একা আর কত করবেন তিনি?

তবুও রান পাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি হয়তো তিনি পেয়েছেন, আত্মবিশ্বাসে যে চিড় ধরেছিল সেখানে এই রান কিছুটা হলেও ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করবে। জয় পেলে হয়তো এই ইনিংসটাও অনবদ্য হয়ে ধরা দিত, পরিপূর্ণতা পেত শতভাগ।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link