রান আউ হয়ে যখন ফিরছিলেন, তখন ক্ষোভে ফুঁসছিলেন পাকিস্তানের সালমান আলী আঘা। টি-টেয়েন্টির এই অধিনায়ক বারবার পেছনে ফিরে ঘুরছিলেন আর কি যেন বলছিলেন বাংলাদেশ দলকে উদ্দেশ্য করে।
মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে যেন উত্তাপ ছুয়ে গেল। সূর্য যখন ডুবি ডুবি করছে। তখনই ক্রিকেটের স্পিরিট নিয়ে প্রশ্ন তুলে গেলেন সালমান আলী আঘা। বোলার ও ফিল্ডার দুজনই এক্ষেত্রে মেহেদী হাসান মিরাজ।
মিরাজের ফ্ল্যাট ডেলিভারি মোহাম্মদ রিজওয়ান রিজওয়ান ফ্লিক করেন। বল যায় সালমানের পায়ের নিচে। সালমান হাত নিয়ে বল তোলার আগেই মিরাজ বল তুলে নিয়ে স্ট্যাম্পের দিকে ছুড়ে মারেন।

সালমান পপিং ক্রিজের বাইরে থাকায় স্পষ্ট আউট। এখানেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়। মিরাজের উপকার করতে গিয়েই কি নিজের বিপদ ডেকে আনলেন সালমান? নাকি, তিনি এটাকে অবস্ট্রাকটিক দ্য ফিল্ড মনে করছেন?
আঘা অবশ্য খুশি হননি। আপিলের সময় মিরাজের সঙ্গে তার কিছু কথা হয়। আর মাঠ ছাড়ার সময়ও তিনি মিরাজকে উদ্দেশ্য করে তিক্ত মন্তব্য করেন। পরিস্থিতি এতটা উত্তেজিত হয় যে লিটনও বিষয়টিতে যুক্ত হন। আরেক ব্যাটার রিজওয়ান এসে তাঁকে শান্ত করতে বাধ্য হন।
সালমানের এমন আচরণ নিশ্চয়ই ম্যাচ রেফারির নজর এড়াবে না। এমনকি ড্রেসিংরুমে ফেরার পথে তিনি হেলমেও ছুড়ে মারেন। ৬২ বল খেলে ৬৪ রান করে আউট হন সালমান। একই ওভারেই ৪৪ রান করে আউট হয়ে যান মোহাম্মদ রিজওয়ানও। বিতর্কের জন্ম দেওয়ার ওভারে ম্যাচে ফিরে আসে বাংলাদেশ।










