রানআউট কাণ্ডের পর শাস্তি পেলেন সালমান!

বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিতীয় ওয়ানডের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একটাই ঘটনা, মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে সালমান আলী আঘার বিতর্কিত রানআউট হওয়া। সেই বিতর্কিত আউটের পর নিজের আচরণের জন্য শাস্তিও পেতে হয়েছে পাকিস্তানি এই অলরাউন্ডারকে।

বাংলাদেশ-পাকিস্তান দ্বিতীয় ওয়ানডের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে একটাই ঘটনা, মেহেদী হাসান মিরাজের হাতে সালমান আলী আঘার বিতর্কিত রানআউট হওয়া। সেই বিতর্কিত আউটের পর নিজের আচরণের জন্য শাস্তিও পেতে হয়েছে পাকিস্তানি এই অলরাউন্ডারকে।

ম্যাচের সময় ঘটনাটি ঘটে পাকিস্তানের ইনিংসের ৩৯তম ওভারে। মোহাম্মদ রিজওয়ান ফ্লিক করেন, বলটা অপরপ্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা সালমানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছিল। মিরাজের তৎপরতায় সেটি আটকে যায়।সে সময় পপিং ক্রিজের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন সালমান আলী আঘা। ঠিক তখনই মিরাজ বলটি তুলে নেওয়ার সুযোগ পান। নিয়ম অনুযায়ী তিনি সরাসরি স্টাম্প ভেঙে দেন। ফলে ৬৪ রান করা সালমানকে ফিরতে হয় সাজঘরে।

ঘটনার পর থেকেই ক্রিকেট মহলে শুরু হয় তর্ক-বিতর্ক। কেউ বলছেন এটি সম্পূর্ণ নিয়মের মধ্যেই হয়েছে, আবার কেউ প্রশ্ন তুলছেন ‘স্পিরিট অব ক্রিকেট’ নিয়ে। বিশেষ করে পাকিস্তানের কিছু সাবেক ক্রিকেটার এ ঘটনাকে ঘিরে বাংলাদেশের সমালোচনা করেছেন।

তবে মাঠ ছাড়ার সময় নিজের আচরণ দিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি করেন সালমান। আউট হয়ে ফেরার পথে তিনি ক্ষোভে গ্লাভস ও হেলমেট ছুঁড়ে মারেন। মুখের অভিব্যক্তিতেও স্পষ্ট ছিল বিরক্তি ও হতাশা। ম্যাচ রেফারি বিষয়টি আমলে নিয়ে তাকে তিরস্কার করেন এবং আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেন। সালমান অভিযোগ স্বীকার করে  নিয়েছেন।

ম্যাচ শেষে প্রেস কনফারেন্সে নিজের প্রতিক্রিয়া নিয়েও পরে ব্যাখ্যা দিয়েছেন এই পাকিস্তানি ব্যাটার। তার ভাষায়, ঘটনাটি ছিল পুরোপুরি মুহূর্তের আবেগে ঘটে যাওয়া বিষয়। পরে তিনি স্বীকার করেন, সেটি ‘হিট অব দ্য মোমেন্ট’ প্রতিক্রিয়াই ছিল।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link