শারমিন আক্তারের দৃঢ়তায় শ্রীলঙ্কাকে হারাল বাংলাদেশ!

২০৬ রান তাড়া করতে নেমে পাঁচ রানেই দুই উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। সেখান থেকে জেতার স্বপ্ন দেখা একপ্রকার বিলাসিতা বইকি। তবে সেই বিলাসী স্বপ্নটা দেখেছিলেন শারমিন আক্তার। তাতেই শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে তিন উইকেটের জয় ছিনিয়ে নিল বাংলাদেশ।

২০৬ রান তাড়া করতে নেমে পাঁচ রানেই দুই উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। সেখান থেকে জেতার স্বপ্ন দেখা একপ্রকার বিলাসিতা বইকি। তবে সেই বিলাসী স্বপ্নটা দেখেছিলেন শারমিন আক্তার। তাতেই শ্রীলঙ্কার কাছ থেকে তিন উইকেটের জয় ছিনিয়ে নিল বাংলাদেশ।

রাজশাহীর তপ্ত সকালে এদিন আগে ব্যাট করতে নামে শ্রীলঙ্কা। ওপেনিং জুটি থেকেই তাদের স্কোরবোর্ডে আসে ৬৮ রান। ইমেসা দুলানির ব্যাট থেকে আসে ৫২ রান। শক্ত ভিতের উপর দাঁড়িয়ে বড় সংগ্রহের দিকেই ধাবিত হচ্ছিল শ্রীলঙ্কা। শেষদিকে অবশ্য ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশের মেয়েরা।

রিতু মনি এবং নাহিদা আক্তারের জাদুতে ২০৫ রানেই থেমে যায় লঙ্কানদের ইনিংস। রিতু শিকার করেন তিন উইকেট, আর নাহিদার ঝুলিতে যায় দুটি।

তীব্র গরমে ৫০ ওভার ফিল্ডিং করে এই রান চেজ করাটা খুব সহজ ব্যাপার নয়। এটা আরও কঠিন হয়ে যায় যখন মাত্র পাঁচ রানের মাথায় ফিরে যান দুই ওপেনার, জুরাইরা ফেরদৌস এবং শারমিন সুলতানা। ঘোরতর বিপদ বুঝতে পেরে হাল ধরার দায়িত্ব নেন শারমিন আক্তার। কাপ্তান নিগার সুলতানা জ্যোতিও ফিরে যান দলীয় ৩৪ রানের মাথায়। পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে যায়।

তবে নিজের উপর বিশ্বাস রেখেছেন শারমিন। ইনিংস গড়ার কাজটা সোবহানা মোস্তারির সাথে নিয়ে করতে থাকেন। অবশ্য বিপদের উপর বিপদ আসে যখন, ইনজুরির কারণে রিটায়ার্ড আউট হয়ে ফিরতে হয় সোবহানাকে। ততক্ষণে অবশ্য পরিস্থিতি কিছুটা বাংলাদেশের অনুকূলে।

এরপর আর কোনো বিপর্যয় আসেনি, ১৯৯ রান পর্যন্ত অনায়াসেই ছুটেছে বাংলাদেশের রানের চাকা। তবে ১৯৯-তে এসে কী যেন হয়ে গেল। এক রান তুলতেই হারিয়ে ফেলল চার চারটি উইকেট। তবে শেষটাতে অবশ্য জয়ের উপর প্রভাব ফেলতে পারেনি সেটা। শারমিনের ৮৬ রানের  ইনিংসের সুবাদে তিন উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে তরী ভেড়ায় বাংলাদেশ নারী দল। জিতে নেয় প্রথম ওয়ানডেটা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link