ফিনিশার রোল বলতে একদম ‘কিতাবী’ ক্রিকেট যা বোঝায়, তানজিদ তামিম মোটেও সেই জায়গায় ব্যাট করেন না। প্রচলিত ধারা বলে ‘ফিনিশার’ রোলের ব্যাটাররা খেলবেন পাঁচ-ছয় বা সাতে। কিন্তু, তানজিদ হাসান তামিম পুরোদস্তর ওপেনার।
মানে, তাকে লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত বা সৌম্য সরকারের মত চাইলেই তিন-চারেও নামানো যাবে না। তিনি খেলবেন ওপেনার হিসেবেই। তারপরও তিনি ফিনিশার, এবং প্রায় নিয়মিতই তিনি বাংলাদেশের হয়ে শর্টার ফরম্যাটে ম্যাচ জিতিয়ে ফিরছেন।
৫৮ বলে ৭৬ রান করেছেন তানজিদ তামিম। ১০ টি চার আর চারটি ছক্কায় সাজানো ইনিংস। একটু ভাল উইকেট পেলেই তিনি যেকোনো ম্যাচকে টি-টোয়েন্টিতে পরিণত করার ক্ষমতা রাখেন। ব্যাটিং করেছেন ১৩১.০৩ স্ট্রাইক রেটে। যখন সাজঘরে ফিরেছেন, ততক্ষণে বাংলাদেশের জয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গেছে।

হ্যাঁ, বলা হতে পারে লক্ষ্য ছোট। জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে মাত্র ১৯৯ রান। তারপরও লক্ষ্য সহজ ছিল না। কারণ, মাত্র ২১ রানে দুই উইকেট হারিয়ে ধুকছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে কাউন্টার অ্যাটাক করেন তানজিদ তামিম। নিউজিল্যান্ডের যা আশা ছিল, তা ওই প্রথম পাওয়ার প্লে’র পরেই শেষ।
লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটের পরিসংখ্যান বিবেচনা করলেন তানজিদ তামিমকে বড় ব্যাটার মনে হবে না। গড় ৩০-এর আশেপাশে। ধারাবাহিক নন, তবে তিনি ম্যাচ উইনার।
তাঁর স্ট্রাইক রেট তাঁর হয়ে কথা বলে। তিনি ব্যাট চালালে প্রতিপক্ষের ম্যাচ জয়ের সুযোগ শেষ হয়ে যায়। এটা অব্যহত থাকলে তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাটে বড় রান তাড়া করেও ম্যাচ জেতা সম্ভব।











