শান্তর ব্যাটে স্বস্তির ফিফটি!

নাহিদ রানা ফাইফার তুলেছেন, আগ্রাসনের ফুলকি ঝরেছে তানজিদ তামিমের ব্যাট থেকে। তবে এসব কিছু বাংলাদেশের ডেরায় যতটা না স্বস্তি ফিরিয়েছে, তার থেকে দ্বিগুণ স্বস্তি এনে দিয়েছেন ১৩ ইনিংস পর ফিফটির দেখা পাওয়া নাজমুল হোসেন শান্ত।

নাহিদ রানা ফাইফার তুলেছেন, আগ্রাসনের ফুলকি ঝরেছে তানজিদ তামিমের ব্যাট থেকে। তবে এসব কিছু বাংলাদেশের ডেরায় যতটা না স্বস্তি ফিরিয়েছে, তার থেকে দ্বিগুণ স্বস্তি এনে দিয়েছেন ১৩ ইনিংস পর ফিফটির দেখা পাওয়া নাজমুল হোসেন শান্ত।

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারের সফলতার বেশিরভাগটাই নির্ভর করে শান্তর উপর। তিনি রান করলেই বাকিদের কাজটা পানির মতো সহজ হয়ে যায়। তবে তিনিই কিনা একটা ফিফটির দেখা পাননি ১৩ ইনিংস খেলার পরও। শেষবার যখন পঞ্চাশ পার করেছিলেন সেদিনের তারিখটা ছিল ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।

এর প্রভাব বাংলাদেশের উপরও কম পড়েনি। যখন থেকে ব্যাট-প্যাঁচের মধ্যে পড়েছেন শান্ত, বাংলাদেশও জয়ের ধারাবাহিকতা হারিয়ে ফেলেছে। অথচ ২০২৩-২৪ সালে অপ্রতিরোধ্য ক্রিকেট খেলেছে বাংলাদেশ। ২০২৩ সালে শান্তর ব্যাট থেকে এসেছিল ৯৯২ রান, ছিল দুটো সেঞ্চুরিও। ২০২৪ সালটাও মন্দ কাটেনি তাঁর। পাঁচ ইনিংস খেলে করেছিলেন ২৮৬ রান। সাথে ছিল এক সেঞ্চুরিও। এরপর নিজের সাথে দলের ছন্দ কেড়ে নিয়েছেন যেন।

অবশেষে রানখরা কাটানোর সেই বার্তা দিলেন শান্ত। তিন নম্বরে ধারাবাহিক ব্যর্থতার পর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিজেকে নামিয়েছিলেন চার নম্বরে। টপ অর্ডার থেকে মিডল অর্ডারে রূপান্তর করেছেন নিজেকে। আর তাতেই বাজিমাত।

সাইফ-সৌম্যকে হারিয়ে ফেলার পর ঝড় তোলেন তামিম। সে জায়গায় শান্ত ইনিংস খেলার জন্য একজনকেও দরকার ছিল। শান্ত তাই নিজেই সেই দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন। সবার অগচরে নিজের কাজটা করেছেন। প্রচণ্ড গরমে পায়ে টান লেগেছে, মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন, এমনকি মাঠ থেকে উঠে যেতে হয়েছে। তবে যাওয়ার আগে দলকে রেখে গেছেন জয়ের দরজায়। আর নিজের ব্যক্তিগত খাতায় টুকে নিয়েছেন ৭১ বল ৫০ রানের ইনিংস। তাই তো শান্তর ব্যাটে রান, এর থেকে স্বস্তির আর কিইবা হতে পারে বাংলাদেশের জন্য।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link