রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু শিরোপাটা কাউকে দেবেনা। ১৮ বছরের আরাধ্য জিনিসটা আর হাতছাড়া করতে চায় না তারা। তাই তো ব্যাটে-বলে গুজরাট টাইটান্সকে উড়িয়ে দিয়ে আরও এক ফাইনালে পা রাখল দলটা। এক কথায় বর্ণনা করতে গেলে, অদম্য, অবিশ্বাস্য, অপ্রতিরোধ্য এই আরসিবি।
কোয়ালিফায়ারের চাপ তো থাকেই, তবে আরসিবিকে তা ছুঁতে পারেনি। ওরা যে শিরোপা জয়ের নেশায় বুদ হয়ে আছে। বাহ্যিক কোনো কিছুই আর গায়ে লাগছে না। তাই তো ব্যাট হাতে যখন নামল রীতিমতো রোলার কোস্টার চালাল গুজরাটের বোলারদের উপর।
বিরাট কোহলি শুরু করেছিলেন, রজত পাতিদার দাঁড়িয়ে থেকে শেষ করেছেন। মাঝের সময়টাতে দেবদূত পাদ্দিকাল কিংবা ক্রুণাল পান্ডিয়ার ইমপ্যাক্টফুল নক। এ যেন একটা ইউনিট খেলছে, একতাই যাদের বল।

অবশ্য মূল কৃতিত্বটা প্রাপ্য রজতেরই। ৩৩ বলে ৯৩ রানের বিস্ফোরক ইনিংসটাই ২৫৪ রানের পাহাড় গড়ে দিয়েছে আরসিবিকে। যার জবাব দিতে নেমে মুষড়ে পড়েছে গুজরাট শিবির।
ব্যাঙ্গালুরু ব্যাট হাতে যতটা বিধ্বংসী ছিল, গুজরাট যেন তার উল্টো পথে হেঁটেছে। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে ব্যাটিং অর্ডার। কোয়ালিফায়ার আর বড় রানের ভারটা আর নিতে পারেনি তারা।
বলার মতো পারফরম্যান্স কেবল দুজনের কাছ থেকে এসেছে। জস বাটলারের ২৯ আর রাহুল তিওয়াতিয়ার শেষ দিকে ব্যবধান কমানো ৬৮ রান ছাড়া বাকিরা সবাই ব্যর্থতার নীল সমুদ্রে গা ভাসিয়েছে। শেষমেষ গুজরাট থেমেছে ১৬২ রানে।

৯২ রানের বিশাল জয় নিয়ে রাজকীয় মেজাজেই ফাইনালে পা রাখল আরসিবি। আর মাত্র একটা ধাপ, ওটা উতরে গেলেই যে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ট্রফিটা বিরাট কোহলিদের হবে।










