আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ কেবল একটি টুর্নামেন্ট নয়, এটি ফুটবলের এক মহাজাগতিক যুগের সমাপনী অধ্যায়। ফুটবলপ্রেমীরা উন্মুখ হয়ে আছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি এবং নেইমার জুনিয়রের শেষ মহাকাব্যিক লড়াই দেখতে। এই বিদায়বেলার সিংহাসন কার দখলে যাবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে টানটান উত্তেজনা।
পর্তুগালের ৪১ বছর বয়সী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো সময়ের ঘূর্ণায়মান কাঁটাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রথম বিশ্বকাপ ছুঁয়ে দেখতে মরিয়া। অন্যদিকে, কাতার জিতে ফুটবলের পূর্ণতা পাওয়া লিওনেল মেসি নিজের মুকুট ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর। আর এই দুই মেরুর মাঝে দাঁড়িয়ে আছেন চোট আর ভাগ্যের সাথে আজীবন লড়াই করা ব্রাজিলের অপূর্ণ রাজপুত্র নেইমার।
- ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

কাতারে মেসিকে ট্রফি জেতাতে পুরো আর্জেন্টিনা দল যেভাবে নিজেদের উজাড় করে দিয়েছিল, এবার পর্তুগাল দলও মাঠে নামবে ঠিক সেই একই জেদ নিয়ে। তারা তাদের ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ফুটবলারকে বিশ্বজয়ের রাজকীয় মুকুট পরাতে চায়। বর্তমান পর্তুগাল দলটি তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ও ভারসাম্যপূর্ণ ‘সোনার প্রজন্ম’। দলের এই সম্মিলিত আবেগ আর রোনালদোর গোল করার চিরন্তন ক্ষুধা যেকোনো অলৌকিক কাণ্ড ঘটিয়ে দিতে পারে।
- লিওনেল মেসি

৩৫ বছর বয়সে বিশ্বজয় করা মেসির নতুন করে কিছুই প্রমাণ করার নেই। তবে ২০২৬ আসরে তাকে তাতিয়ে রাখছে তার ভেতরে থাকা ফুটবল খেলাটির প্রতি নিখাদ ভালোবাসা। ২০২৩ সাল থেকে ইন্টার মিয়ামিতে খেলার সুবাদে আমেরিকার চেনা কন্ডিশনের সাথে মেসি সবচেয়ে ভালো মানিয়ে নিয়েছেন। হুলিয়ান আলভারেজ এবং নিকো পাজের মতো একঝাঁক তরুণের প্রাণশক্তি সাথে নিয়ে মেসি এখনো ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়ার মূল কারিগর।
- নেইমার জুনিয়র

৩৪ বছর বয়সী নেইমার চোটের কারণে আসর শুরুর আগেই মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ মিস করার ঝুঁকিতে আছেন। ২০২৩ সালের পর সেলেসাওদের জার্সিতে তাঁর মাঠে নামাই হয়নি। জোয়াও পেদ্রো বা রিচার্লিসনের মতো ছন্দে থাকা তারকাদের বাদ দিয়ে কার্লো আনচেলত্তির তাকে দলে নেওয়াটা ছিল এক বড় চ্যালেঞ্জ। নিজের দিনে নেইমার অনবদ্য, তবে সাম্প্রতিক সময়ে তার চোটের ধকল ব্রাজিলের হেক্সা মিশনের সামনে বড় প্রশ্নবোধক চিহ্ন।











