নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে লেপার্ডদের জয়

ম্যাচের শুরুটা হয়েছিল উজবেকিস্তানের স্বপ্নের মতো। মাত্র দশ মিনিটেই গোল করে এগিয়ে যায় ক্যানাভারোর শিষ্যরা। মধ্য এশিয়ার এই দলটি প্রথমার্ধজুড়ে কঙ্গোর আক্রমণ সামলে ড্রেসিংরুমে ফিরেছিল এক গোলের লিড নিয়ে।

ম্যাচের শুরুটা হয়েছিল উজবেকিস্তানের স্বপ্নের মতো। মাত্র দশ মিনিটেই গোল করে এগিয়ে যায় ক্যানাভারোর শিষ্যরা। মধ্য এশিয়ার এই দলটি প্রথমার্ধজুড়ে কঙ্গোর আক্রমণ সামলে ড্রেসিংরুমে ফিরেছিল এক গোলের লিড নিয়ে।

কিন্তু বিরতির পরই বদলে যায় ছবিটা। ৬৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে  সমতা ফেরায় কঙ্গো ডিআর। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাদের। ৭৮ মিনিটে দ্বিতীয় গোলে এগিয়ে যাওয়া, তারপর ইনজুরি টাইমে ৯০ মিনিটে তৃতীয় গোল — কঙ্গোর প্রত্যাবর্তন ছিল ভয়ঙ্কর সুন্দর।

পরিসংখ্যানেও আধিপত্যের ছাপ স্পষ্ট। ৬১ শতাংশ বল দখল, ১৯ টি শট, ৪টি অন টার্গেট — আক্রমণের বিচারে কঙ্গো ছিল সম্পূর্ণ আলাদা। উজবেকিস্তান মাত্র তিনটি শট নিতে পেরেছে পুরো ম্যাচে। ওয়ান-বিসাকা, এমবেম্বা, বাকাম্বু, উইসার মতো ইউরোপে খেলা তারকারা দলীয় সংহতিতে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন।

শৃঙ্খলার প্রশ্নে অবশ্য দুই দলকেই জরিমানা গুনতে হয়েছে। কঙ্গোর তিনটি ও উজবেকিস্তানের দুটি হলুদ কার্ড ম্যাচের উত্তাপের সাক্ষী।

গ্রু কে-তে এই জয়ের পর কঙ্গো ডিআর উঠে এসেছে ৪ পয়েন্টে, তৃতীয় স্থানে। তবে নকআউটের স্বপ্ন তাদের কাছে এখনও অনিশ্চিত — কলম্বিয়া (৭ পয়েন্ট) ও পর্তুগাল (৫ পয়েন্ট) ইতিমধ্যে শীর্ষ দুইয়ে থেকে নকআউট নিশ্চিত করে ফেলেছে। কঙ্গোর একমাত্র ভরসা এখন তৃতীয় স্থানের দলগুলোর মধ্যে সেরা হওয়া। আর উজবেকিস্তানের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলো শূন্য পয়েন্টে — তিন ম্যাচে তিন হার।

লেখক পরিচিতি

আমজাদ হোসেন আবির

সাব এডিটর

Share via
Copy link