এমবাপ্পে-হাল্যান্ডকে পেছনে ফেলে বিশ্বকাপের দ্রুততম জর্ডান বস

বিশ্বকাপের দ্রুততম ফুটবলার এখন না এমবাপ্পে, না হাল্যান্ড কিংবা মেসি। এবার গতিময়তার তালিকার শীর্ষে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ২৩ বছর বয়সী ফুল-ব্যাক জর্ডান বস।

গোলের হিসাবে এবারের বিশ্বকাপে ওপরের দিকে আছেন লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হাল্যান্ডের মতো খেলোয়াড়রা। কিন্তু গতির দিক থেকে কে? অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, বিশ্বকাপের দ্রুততম ফুটবলার এখন না এমবাপ্পে, না হাল্যান্ড কিংবা মেসি। এবার গতিময়তার তালিকার শীর্ষে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ২৩ বছর বয়সী ফুল-ব্যাক জর্ডান বস।

দুর্দান্ত স্প্রিন্টের পাশাপাশি তাঁর পারফরম্যান্সও সকারুজদের পৌঁছে দিয়েছে নকআউট পর্বে এই আসরে। আর তাতেই বিশ্বমঞ্চে আলোচনার নতুন নাম হয়ে উঠেছেন এই তরুণ।

মূলত, শুরুটা তুরস্কের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ২–০ গোলের জয় দিয়ে। সেই ম্যাচে ফিফার পরিসংখ্যান অনুযায়ী বসের সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ৩৬.৭ কিলোমিটার।

এই গতিই তাঁকে ওপরে উঠিয়েছে এমবাপ্পে, হাল্যান্ড, ডিফেন্ডার মিকি ফান ডে ফেন এবং উজবেকিস্তানের আবদুকোদির খুসানোভের মতো গতিময় ফুটবলারদের থেকে।

তবে, বস শুধু গতির নন, তিনি বহুমুখিতারও প্রতীক। আক্রমণাত্মক লেফট-ব্যাক হলেও প্যারাগুয়ের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের ম্যাচে ডান প্রান্তেও খেলেছেন সমান দক্ষতায়। তাতেই গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে শেষ ৩২-এ জায়গা নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া।

বসের উত্থানও কম নাটকীয় নয়। মেলবোর্ন সিটির একাডেমি থেকে উঠে আসা এই তরুণ ২০২৩ সালে যোগ দেন বেলজিয়ামের ওয়েস্টারলোতে। দুই মৌসুম পর তাঁকে দলে ভেড়ায় নেদারল্যান্ডসের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ফেইনুর্ড।

তবে ইউরোপের বড় ক্লাবগুলোর আগ্রহের গুঞ্জন বাড়লেও বসের মনোযোগ এখন একটাই: অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান। তাঁর ভাষায়, “আমি শুধু বর্তমান নিয়ে ভাবছি। দেশের জন্য নিজের সেরাটা দিতে চাই। বাকিটা সময়ই বলে দেবে।”

ডালাসে রাউন্ড অব ৩২-এর লড়াইয়ে ইতিহাসের সন্ধানে নামবে বসের অস্ট্রেলিয়া, প্রতিপক্ষ মিশর। পুরুষদের বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে এখনো কোনো জয় না পাওয়া দল দুটি টেক্সাসে নিশ্চিতভাবেই লিখবে নতুন এক অধ্যায়।

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

Share via
Copy link