এবাদতের সামনে দুটি পথই খোলা!

সর্বশেষ তিন টেস্টে উইকেট নিয়েছেন মাত্র একটি। সর্বশেষ দুই টেস্টে একটাও না। ফর্মহীনতার একেবারে তলানিতে অবস্থান করছেন তিনি। তবে দলের ঘোরতর বিপদে ভরসা হিসেবে দাঁড়িয়েছেন আরও একবার। এই সফরটা তাই দুটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ তাঁর জন্য।

অস্ট্রেলিয়ায় থাকার কথা ছিল না এবাদত হোসেনের। পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়েছিলেন তিনি। তবে দেশের স্বার্থে সেই ছুটি বাতিল করে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছেন। নিজেকে প্রমাণের আরেকটি সুযোগ এসেছে তাঁর সামনে। এবার সেই সুযোগটা ঠিকঠাক কাজে লাগাতে পারবেন তো এবাদত?

সাদা পোশাকে এবাদতের সময়টা মোটেও ভালো যাচ্ছে না। সর্বশেষ তিন টেস্টে উইকেট নিয়েছেন মাত্র একটি। সর্বশেষ দুই টেস্টে একটাও না। ফর্মহীনতার একেবারে তলানিতে অবস্থান করছেন তিনি। তবে দলের ঘোরতর বিপদে ভরসা হিসেবে দাঁড়িয়েছেন আরও একবার। এই সফরটা তাই দুটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ তাঁর জন্য।

পরিবারকে ছেড়ে এসেছেন। নিশ্চয়ই এই সেক্রিফাইসের যথার্থ ব্যবহার তিনি করতে চাইবেন। দলে নাহিদ রানা নেই, শরিফুল ইসলামও প্রথম টেস্টে অনিশ্চিত। এই সময়ে এবাদতকে তাই নিতে হবে গুরুদায়িত্ব। বাংলাদেশের সাফল্যের অনেকটাই যে নির্ভর করবে তাঁর ওপর। তাই তো সাফল্য নিয়েই পরিবারের কাছে ফিরতে চাইবেন এবাদত।

আরেকটা কারণ, নিজের জায়গা পাকা করা। আপাতত দলে সংকটময় পরিস্থিতি। তবে সেটা যে পরবর্তীকালে থাকবে না। অফ-ফর্মের হিসেবে এলে এবাদতের দলে থাকারই কথা না। তাই তো ২৩ বছর পর এই ঐতিহাসিক সফরে দলের সাফল্য কামনার সঙ্গে নিজেকেও নিশ্চয় প্রমাণ করতে চাইবেন।

দুই টেস্ট যখন শেষ হবে, এবাদত নিশ্চয় দলের প্রত্যাশা মিটিয়ে নিজের মুখে হাসি নিয়েই পরিবারের কাছে ফিরবেন। এর যে বিকল্প এই মুহূর্তে আর নেই। এবাদতের জন্য অবস্থাটা এমন, ‘এখন নয়তো কখনও না।’

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link