বর্ষণের হাত ধরে উইকেটের বর্ষণ!

রোহানাত দৌলা বর্ষণের হাত ধরে উইকেটের বৃষ্টি নামল দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে। একে একে পাঁচ ব্যাটারকে ফেরালেন সাজঘরে। দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলের ব্যাটিং অর্ডারটাই ধসে পড়ল বর্ষণের গতির সামনে।

রোহানাত দৌলা বর্ষণের হাত ধরে উইকেটের বৃষ্টি নামল দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে। একে একে পাঁচ ব্যাটারকে ফেরালেন সাজঘরে। দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলের ব্যাটিং অর্ডারটাই ধসে পড়ল বর্ষণের গতির সামনে।

পাঁচমিশালি বোলিং যাকে বলে, নিখুঁত লাইন-লেন্থের সাথে সুযোগসন্ধানী গতি। এরকম বল পড়তে পারলেও ক্রিজে টিকে থাকা ব্যাটারদের জন্য দুরূহ বটে। এই দুরূহ ব্যাপারেই সামনেই মাথা নোয়ালো আফ্রিকার ব্যাটাররা।

ম্যাচে শুরু থেকেই বর্ষণের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ১১ রানের মধ্যেই তিন উইকেট হারায় আফ্রিকা, তার দুটোই আবার বর্ষণের। হ্যাটট্রিক করার সুযোগও সামলে ছিল, তবে একটা ওয়াইড মাঝের সুতো কেটে দিল। এর ঠিক পরের বলেই আরও একখানা শিকার করে কার্যত ম্যাচের শুরুতেই আফ্রিকার বড় রানের সম্ভাবনা ধুলিসাৎ করে দেন।

এরপর ঘুরে দাঁড়ানোর প্রয়াস দেখা যায় আফ্রিকার ব্যাটারদের মধ্যে। বড়সড় পার্টনারশিপ গড়ে ওঠে। ২০০ রানের গণ্ডি পার হওয়াটা যখন সহজ হয়ে এসেছে, বর্ষণ বাধা হয়ে আরও একবার এলেন। নিজের অষ্টম ওভারে কোনো রান না দিয়েই দুই উইকেট তুলে নিলেন। অর্থাৎ ষোলো কলা পূর্ণ।

আট ওভার হাত ঘুরিয়ে ২৪ রানের বিনিময়ে পাঁচ শিকার। ছন্নছাড়া আফ্রিকার ব্যাটিং লাইনআপ আত্মসমর্পণ করে মাত্র ১৬৯ রানে।

এই সিরিজে পুরোটা সময় একই ছন্দ ধরে রেখেছে বর্ষণ। আগের দুই ম্যাচে চার উইকেট, এবার একলাফে ফাইফার। চার ব্যাটারের স্টাম্পে আঘাত হেনেছে বল। ২১ বছর বয়সী বর্ষণ পারফরম্যান্সের এমন অবিরাম বর্ষণ ধরে রাখতে পারলে জাতীয় দলের দরজা খুলতে খুব বেশি সময় হয়তো লাগবে না।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link