বল হাতে মোহাম্মদ রুবেলের চার শিকার, এরপর ব্যাট হাতে জিসান আলমের ঝড়, নেপালকে হেসেখেলে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স একাদশ। ৫৯ বল আর নয় উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে নৌকা ভেড়াল জিসানরা।
আগে ব্যাট করতে নামা নেপালের ব্যাটিং অর্ডার শুরুতেই অসহায় আত্মসমর্পণ করে বসে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে। প্রথম ওভারেই রহনাত দৌলা বর্ষণের আঘাত, এরপর আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যস্ত হয়ে পড়ে ব্যাটাররা। ১৩ রানের মধ্যেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে রীতিমতো দিশেহারা হয়ে পড়ে নেপাল।
সেখান থেকে কুশল ভুর্টেল চেষ্টা চালান। ৪৬ রান আসে তার একার ব্যাট থেকে। যখন মনে হচ্ছিল নেপাল ৫০ রানের গণ্ডি পেরোতে পারবে না, তখনই ভুর্টেলের চেষ্টায় মান বাঁচে তাদের। যদিও রুবেলের শিকার হয়েই থামতে হয় তাকে। শেষমেশ নেপালের স্কোরবোর্ডে যুক্ত হয় ৯৯ রান।

বল হাতে দিনের সেরা বোলার রুবেল। ১৮ রানের বিনিময়ে নিয়েছেন চার উইকেট। তবে বাকিরাও কম যাননি। বর্ষণ, রিপন মণ্ডলরা এক উইকেট করে পেলেও ছিলেন বেশ কৃপণ। নেপালের ব্যাটারদের এক মুহূর্তের জন্যও খোলস ছেড়ে বের হতে দেননি।
১০০ রানের লক্ষ্য। বাংলাদেশি ব্যাটারদের জন্য আহামরি কিছুই নয়। সেটা টের পাওয়া গেল শুরুতেই। মাঠে নেমে রীতিমতো ঝড় চালাতে থাকেন জিসান আলম। সতীর্থ হাবিবুর রহমান সোহানকে দর্শক বানিয়ে রাখেন পুরোটা সময়। জুটি ভাঙে ৩৪ রানে, সোহান ফিরে যান সাত রান করে।
তিন নম্বরে নামা আরিফুল ইসলামকে সঙ্গী হিসেবে পান জিসান। এক প্রান্তে নেপালের বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলায় মেতে ওঠেন তিনি। বল যেখানেই পড়ুক না কেন, সেটাকে সীমানার বাইরে পাঠানো যেন জিসানের একমাত্র লক্ষ্য।

ওই একটা উইকেটই হারায় বাংলাদেশ। আর কোনো বিপর্যয় ঘটতে দেয়নি আরিফুল এবং জিসান জুটি। ছক্কা হাঁকিয়ে রাজকীয় মেজাজে ম্যাচ শেষ করেন জিসান আলম। ওই ছক্কার মাধ্যমে নিজের অর্ধশতকও পূর্ণ করেন। ব্যাট থেকে আসে ২৯ বলে ৫২ রানের ইনিংস। অন্য প্রান্তে থাকা আরিফুল অপরাজিত থাকেন ৩৪ রানে। বিশাল জয় সঙ্গী করেই মাঠ ছাড়েন দুজনে।
Share via:










