দুই গোলের লিড নিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেও শেষ মুহূর্তে পয়েন্ট খোয়ানোর দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে কৌশলগত নমনীয়তা এবং দ্রুত সিদ্ধান্তের জোরে এলচেকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।
হোসে মরিনহোর ৪-২-৩-১ শেপে ফেদেরিকো ভালভের্দে ও চুয়ামেনির ডাবল পিভট ছিল প্রথমার্ধের মূল চালিকাশক্তি। এলচে ৪-৪-২ মিড ব্লকে জায়গা ছোট করার চেষ্টা করলেও ভিনিসিয়াস জুনিয়র ও ইয়ান দিওমান্দে টাচলাইনের একদম কাছাকাছি পজিশন নেওয়ায় এলচের ব্যাকলাইন ছড়াতে বাধ্য হয়।
এর ফলে সেন্ট্রাল হাফ স্পেসে বিশাল ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়, যেখানে নিচে নেমে বল রিসিভ করছিলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই দ্রুত পজিশনাল রোটেশন ও ভার্টিক্যাল পাসিংয়ের তোপ সামলাতে না পেরে প্রথমার্ধেই ব্যাকফুটে চলে যায় স্বাগতিকরা।

তবে বিরতির পর এলচে ম্যান ওরিয়েন্টেড হাই প্রেসে শিফট করে। রিয়ালের ব্যাকলাইন থেকে বল বের করার চ্যানেলগুলো তারা বন্ধ করে দেয় এবং ডান প্রান্ত দিয়ে তেতে মোরে ও হেরমান ভালে টানা ওভারল্যাপ করা শুরু করেন।
রিয়ালের লেফট ব্যাক মার্ক কুকুরেয়ার ফ্লাঙ্ক ধরে আসা ধারাবাহিক ক্রস ও অ্যাটাকিং থার্ডে আবিয়েল ওসোরিওর এরিয়াল প্রেসারে ডিফেন্সিভ শেপ এলোমেলো হয়ে পড়লে দ্রুত দুই গোল করে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা।
ম্যাচের শেষ মোড়ে মরিনহোর মাস্টারস্ট্রোকে পরিবর্তন আসে। মাঝমাঠে ধীরগতির বিল্ড আপ বাদ দিয়ে তরুণ ফরোয়ার্ড কার্লোস এস্পিকে মাঠে নামান তিনি এবং দলকে সরাসরি ডিরেক্ট লং বল চ্যানেলে খেলার নির্দেশ দেন।

মাঠে নেমে এস্পি এলচের দুই সেন্টার ব্যাককে পিন করে রাখেন, যা এলচের পেনাল্টি বক্সে বাড়তি প্রেসেন্স তৈরি করে। শেষ মুহূর্তে সেই স্পেস ম্যানেজমেন্টের সুবিধা নিয়ে এবং এলচের টায়ার্ড ব্যাকলাইনের ভুলকে কাজে লাগিয়ে দারুণ ফিনিশিংয়ে জয়সূচক গোলটি এনে দেন কার্লোস এস্পি।











