প্রথম ওয়ানডেতে জাস্টিন গ্রিভস যে দায়িত্বটা নিয়েছিলেন, গুয়াহাটিতে সেটা নিজের কাঁধে তুলে নিলেন জন ক্যাম্পবেল। গ্রিভসের অনুপস্থিতিতে কেসি কার্টির সঙ্গে ইনিংস শুরু করতে নামলেন তিনি। আর প্রথম ওভার থেকেই বোঝা গেল, আজ কারও রক্ষা নেই।
প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার প্রথম বলগুলোতে সামলাতে একটু কষ্ট হচ্ছিল ঠিকই, কিন্তু চতুর্থ বলেই এল প্রথম চার। তারপর থেকে থামাথামির প্রশ্নই নেই, আকিব নবির বল ছুটল সীমানার দিকে, প্রসিদ্ধের এক ওভার থেকে এল ২২ রান। গুরনুর ব্রারের এক ওভারেও ২২। ২৯ বলে ফিফটি করলেন ক্যাম্পবেল, ভারতের বিপক্ষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে যা সবচেয়ে দ্রুত। প্রথম দশ ওভারে দলের রান দাঁড়াল ৯৬, এর চেয়ে বড় সূচনা ভারতের মাটিতে অস্ট্রেলিয়া ছাড়া আর কেউ পায়নি।
পেসার হোক বা স্পিনার, তাঁর কাছে ফারাক ছিল না। রবীন্দ্র জাদেজাকে হাঁটু গেড়ে স্লগ সুইপে উড়িয়ে মারলেন কুলদীপ যাদবকে মারলেন লং অফের ওপর দিয়ে ছক্কা, ছাড় দেননি কাউকেই।

গরমে আর আর্দ্রতায় একবার মাঠেই শুয়ে পড়লেন, ফিজিও এলেন, মনে হচ্ছিলন জাস্টিন গ্রিভসের মতো তিনিও ইনজুরির পথে যাচ্ছেন তবে পানি খাওয়ার পর উঠে দাড়ালেন রেস্ট নিয়ে। তারপর উঠে আবার সেই একই ব্যাটিং। ৬৫ বলে পূর্ণ হলো সেঞ্চুরি।,ব্যাট তুলে ধরলেন,সতীর্থ শাই হোপ এসে জড়িয়ে ধরলেন। ক্যারিবীয়দের হয়ে ওয়ানডেতে দ্রুততম সেঞ্চুরির তালিকায় জায়গা হলো ব্রায়ান লারা, ক্রিস গেইলদের পাশেই।
তবে গল্পটা শেষ হলো একটু আক্ষেপ নিয়েই। ১০১ রানে গুরনুর ব্রারের বলে নামান ধিরের হাতে ধরা পড়লেন তিনি, ঠিক প্রথম ম্যাচে গ্রিভসের মতোই। ৬৮ বলে নয়টি চার আর পাঁচটি ছক্কার ইনিংস।
সেঞ্চুরি পেলেন ঠিকই, কিন্তু বড় ইনিংসটা আর হলো না।












