৭২ বছর। এত দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে আবারও বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিল সুইজারল্যান্ড। শেষ ষোলোতে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ১২০ মিনিটের গোলশূন্য লড়াই শেষে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে সুইসরা। এবার শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা।
ম্যাচজুড়ে অবশ্য আধিপত্য ছিল কলম্বিয়ারই। শুরু থেকেই বলের দখল, আক্রমণের সংখ্যা, সব দিক থেকেই এগিয়ে ছিল দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। প্রথমার্ধে একের পর এক আক্রমণে সুইজারল্যান্ডকে চাপে রাখে তারা। এতটাই চাপ ছিল যে সুইস ডিফেন্ডারদের ১৭ বার বল ক্লিয়ার করতে হয়েছে। বিপরীতে কলম্বিয়াকে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে মাত্র পাঁচবার।

কিন্তু ফুটবলে আধিপত্য দেখালেই চলবে না। গোলটাও করা লাগবে। আর সেখানেই বারবার ব্যর্থ হয়েছে কলম্বিয়া। সুযোগ তৈরি করেও শেষ মুহূর্তের ফিনিশিংয়ে ছিল হতাশা। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ড খুব বেশি সুযোগ না পেলেও রক্ষণে ছিল সংগঠিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ। ফলে নির্ধারিত ৯০ মিনিটেও কোনো দল গোলের দেখা পায়নি।
অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও একই গল্প। দুই দলই সতর্ক ফুটবল খেলেছে। ঝুঁকি নিতে চায়নি কেউই। মাঝেমধ্যে আক্রমণের ঝলক দেখা গেলেও শেষ পর্যন্ত গোলশূন্যই থাকে ম্যাচ। ফলে ভাগ্য নির্ধারণের দায়িত্ব গিয়ে পড়ে টাইব্রেকারের ওপর।

সেখানে শুরুটা ভালোই করেছিল কলম্বিয়া। প্রথম শট থেকেই তারা গোল পায়। জবাবে সুইজারল্যান্ডও গোল করে সমতা ফেরায়। কিন্তু দ্বিতীয় শটেই বড় ধাক্কা খায় কলম্বিয়া।আরও একবার ভুল করে বসে তারা। চতুর্থ শটও জালে জড়াতে ব্যর্থ। বিপরীতে সুইজারল্যান্ড পথ হারিয়েছে একবারই। তাতেই ৪-৩ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে সুইসরা।










