সৌম্যকে কি ব্যর্থ বলা যায়?

রান করেও বাইরে বসে থাকতে হয়, রোলটা ওপেনারের হলেও সুযোগ মেলে না সেখানে। এগুলোই যেন কোনঠাসা করে রেখেছে তাঁকে।

থ্রোয়ারের ছোড়া বাউন্সারে বারবার পর্যদুস্ত হচ্ছেন সৌম্য সরকার। অথচ বাউন্ডারি হাঁকাতে এই বলটাই তাঁর বেশি পছন্দ। সৌম্যর সময়টাও এমনই, পছন্দের কোনো কিছুই তিনি পাচ্ছেন না, যা পাচ্ছেন সেটা অবশ্য কাজেও লাগছে না।

সৌম্য কখন ফর্মে থাকেন, আর কখনই বা রানখরায় ভুগতে হয় সেটা বোঝা বড় দায়। এই দুইয়ের মাঝে একটা কাঁচের দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সময় আর সুযোগ। রান করেও বাইরে বসে থাকতে হয়, রোলটা ওপেনারের হলেও সুযোগ মেলে না সেখানে। এগুলোই যেন কোনঠাসা করে রেখেছে তাঁকে।

উদাহরণ হিসেবে একটা ছোট তথ্য দেওয়া যাক। ২০২৫ সালের অক্টোবরে যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাংলাদেশে এলো, সেখানে শেষ দুই ম্যাচে হেসেছিল সৌম্য সরকারের ব্যাট। দুই ইনিংসে রান ছিল ৪৫ এবং ৯১। এমন পারফরম্যান্সের পর ঠিক পরের সিরিজ, অর্থাৎ এবছরের মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজটা বেঞ্চে বসেই দেখতে হলো। দীর্ঘ সময় পার হলেও ফেরা হলো না সৌম্যর।

এরপর নিউজিল্যান্ড সিরিজেও সুযোগ এলো না প্রথম ম্যাচে। শেষ দুই ম্যাচে একাদশে জায়গা পেলেন বটে, তবে সেটাও পছন্দের ওপেনিংয়ে নয়। রান করলেন আট এবং ১৮। এমন পারফরম্যান্সকে কি মন্দ বলা যায়? বা সৌম্য ব্যর্থ হয়েছেন বলা যায়?

উত্তরটা, একদমই না। একপ্রান্তে সাইফ হাসান টানা ব্যর্থ হলেও সুযোগ মিলছে না সৌম্যর। পারফর্ম করেও একজন ব্যাটার যখন একাদশে সুযোগ পান না, সেটা নিশ্চয় মানসিকতায়ও প্রভাব ফেলে। সৌম্যর কি সেটাই হয়েছে, নইলে বাউন্সারে এমন ধরাশায়ী হবেনই বা কেন?

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link