প্রথমার্ধেই ফ্রান্সকে নাস্তানাবুদ করল ইংল্যান্ড!

মাত্র ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের মাথায় ফ্রান্সের জাল কাঁপিয়ে দেন ডেক্লান রাইস। এরপর থেকে শুরু হয় ইংল্যান্ডের তাণ্ডব। একের পর এক আক্রমণ, একের পর এক গোল, ফ্রান্সের বিশ্বকাপের শেষযাত্রাটা যেন বিষিয়ে তোলে ইংল্যান্ড।

মাত্র ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ডের মাথায় ফ্রান্সের জাল কাঁপিয়ে দেন ডেক্লান রাইস। এরপর থেকে শুরু হয় ইংল্যান্ডের তাণ্ডব। একের পর এক আক্রমণ, একের পর এক গোল, ফ্রান্সের বিশ্বকাপের শেষযাত্রাটা যেন বিষিয়ে তোলে ইংল্যান্ড।

প্রথম গোলটা আসে রাইসের পা থেকে। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটে তিন মিনিটের মাথায় চমকে দেন ফ্রান্সকে। ঠিক ১৫ মিনিটের ব্যবধানে আবারও সেই রাইসের কারিশমা। এবার অবশ্য গোল করেননি, করিয়েছেন। কর্নার থেকে এজরি কনসার জন্য ভাসিয়ে দেন বল। সেখান থেকেই দ্বিতীয় গোলের দেখা পেয়ে যায় ইংলিশরা।

হাইড্রেশন ব্রেক থেকে ফিরে এসে দলটা যেন দানব হয়ে ওঠে। আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে। কখনও দূরপাল্লার শটে গোলরক্ষককে চমকে দেওয়া, তো কখনও ডিফেন্ডারদের নিয়ে খেলা করা সবই করেছে মার্কাস রাশফোর্ডরা।

৩৭ মিনিটের মাথায় তাই আবারও গোল করে বসে ইংল্যান্ড। এবার কারিগর বুকায়ো সাকা। রাশফোর্ডের সঙ্গে জুটি গড়ে তিন গোলে এগিয়ে নেন দলকে। তাতে অবশ্য তৃষ্ণা মেটেনি তাদের। বিশ্বকাপ ফাইনাল হাতছাড়ার বেদনা যেন অপরিসীম শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। তাই তো প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে কনসার বাড়ানো বল থেকে সাকার দ্বিতীয় গোল, তাতেই হালি পূরণ করে ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধেই ফ্রান্সের সামনে উপহার দেয় দুঃস্বপ্ন।

ফ্রান্সের আক্রমণ প্রতিহত করার পর সেখান থেকেই আক্রমণ গড়ে ইংল্যান্ড। সাকার দুর্দান্ত এক পাসে বল যায় রাশফোর্ডের কাছে। এরপর ভোঁ দৌড়, ফ্রান্সের গোলরক্ষককে একা পেয়ে শট নেন, তবে সে যাত্রায় তা প্রতিহত হয়। পরের শট নেন সাকা, সেটাও অবশ্য ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে চলে যায় রাশফোর্ডের কাছে। এবার তিনি ভুল করেননি। বলটা বাড়িয়ে দেন সতীর্থ সাকার জন্য, আর তাতেই তিন গোলের লিড পেয়ে যায় ইংল্যান্ড।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link