প্রথম গোলটা আসে রাইসের পা থেকে। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটে তিন মিনিটের মাথায় চমকে দেন ফ্রান্সকে। ঠিক ১৫ মিনিটের ব্যবধানে আবারও সেই রাইসের কারিশমা। এবার অবশ্য গোল করেননি, করিয়েছেন। কর্নার থেকে এজরি কনসার জন্য ভাসিয়ে দেন বল। সেখান থেকেই দ্বিতীয় গোলের দেখা পেয়ে যায় ইংলিশরা।

হাইড্রেশন ব্রেক থেকে ফিরে এসে দলটা যেন দানব হয়ে ওঠে। আক্রমণের পসরা সাজিয়ে বসে। কখনও দূরপাল্লার শটে গোলরক্ষককে চমকে দেওয়া, তো কখনও ডিফেন্ডারদের নিয়ে খেলা করা সবই করেছে মার্কাস রাশফোর্ডরা।
৩৭ মিনিটের মাথায় তাই আবারও গোল করে বসে ইংল্যান্ড। এবার কারিগর বুকায়ো সাকা। রাশফোর্ডের সঙ্গে জুটি গড়ে তিন গোলে এগিয়ে নেন দলকে। তাতে অবশ্য তৃষ্ণা মেটেনি তাদের। বিশ্বকাপ ফাইনাল হাতছাড়ার বেদনা যেন অপরিসীম শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে। তাই তো প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে কনসার বাড়ানো বল থেকে সাকার দ্বিতীয় গোল, তাতেই হালি পূরণ করে ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধেই ফ্রান্সের সামনে উপহার দেয় দুঃস্বপ্ন।

ফ্রান্সের আক্রমণ প্রতিহত করার পর সেখান থেকেই আক্রমণ গড়ে ইংল্যান্ড। সাকার দুর্দান্ত এক পাসে বল যায় রাশফোর্ডের কাছে। এরপর ভোঁ দৌড়, ফ্রান্সের গোলরক্ষককে একা পেয়ে শট নেন, তবে সে যাত্রায় তা প্রতিহত হয়। পরের শট নেন সাকা, সেটাও অবশ্য ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে চলে যায় রাশফোর্ডের কাছে। এবার তিনি ভুল করেননি। বলটা বাড়িয়ে দেন সতীর্থ সাকার জন্য, আর তাতেই তিন গোলের লিড পেয়ে যায় ইংল্যান্ড।
Share via:










