মোহাম্মদ সালাহ – নি:সন্দেহে এই প্রজন্মের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। কিন্তু নীল নদের তীরে মোহাম্মদ সালাহ কেবল একজন খেলোয়াড় নন। তিনি একটি জীবন্ত কিংবদন্তি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ইতিহাসে তাদের প্রথম জয়ে আবারও প্রমানিত হলো, সালাহ আজও মিশরের কোটি মানুষের কাছে এক অভ্রান্ত বিশ্বাসের নাম।
এই ম্যাচের মাধ্যমেই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এক ম্যাচে তিন গোল করার গৌরব অর্জন করলো মিশর। সালাহর একটি গোল এবং একটি দুর্দান্ত অ্যাসিস্টই নিশ্চিত করেছে মিশরের নকআউট পর্বের সম্ভাবনা।
আজকের গোলটির মাধ্যমেই তিন গোল নিয়ে সালাহ এখন বিশ্বকাপ ইতিহাসে মিশরের সর্বোচ্চ গোলদাতা। পেছনে ফেলেছেন আব্দুল রহমান ফাওজিকে।

নিজের ক্যারিয়ারের মাত্র চারটি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলেছেন সালাহ। চারটিতেই রয়েছে তাঁর গোল অবদান। চার ম্যাচে মোটে পাঁচটি গোল কন্ট্রিবিউশন করে তিনি প্রমাণ করলেন কেন তাকে ‘ইজিপশিয়ান কিং’ বলা হয়।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পুরো ম্যাচ জুড়েই সালাহ ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। সরাসরি পাঁচটি শট এবং পাঁচটি সুযোগ তৈরি করে মোট দশটি শটে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন তিনি। ২০২৬ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড় এক ম্যাচে এত বেশিবার শট বা সুযোগ তৈরিতে সম্পৃক্ত হতে পারেননি।
সালাহর এই ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স এবং দলের সামগ্রিক লড়াই মিশরকে নিয়ে গেছে স্বপ্নের পথে। বিশ্বকাপে প্রথম জয় এবং নকআউট পর্বের হাতছানি। সব মিলিয়ে আজকের দিনটি মিশরের ফুটবল ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। আর সেই ইতিহাসের কেন্দ্রে আছেন মোহাম্মদ সালাহ, যিনি আবারও প্রমাণ করলেন কেন তিনি আধুনিক ফুটবলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ তারকা।












