কেউ যেন পাত্তাই দিচ্ছে না পাকিস্তানকে

অবাক করা বিষয় কিংবদন্তী ব্রায়ান লারা তাঁর সম্ভাব্য সেমিফাইনালিস্টের তালিকায় আফগানিস্তানকে রাখলেও, সে তালিকায় রাখেননি পাকিস্তানকে। 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অপেক্ষার প্রহর এখন প্রায় শেষের দিকে। তাইতো বিশেষজ্ঞদের মাঝে চলছে আলোচনা, কারা থাকবে সেমিফাইনালে আর কাদেরই দেখা যাবে ফাইনালের মঞ্চে। তবে সবাইকে অবাক করে দিয়ে, অভিজ্ঞরা সম্ভাব্য সেমিফাইনালিস্টের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে গতবারের রানার্স আপ পাকিস্তানকে।

গতবারের টুর্নামেন্ট জুড়ে অসাধারণ পারফর্ম্যান্স করে  ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁরা হেরেছিল ৫ উইকেটের ব্যবধানে। তবে সময়ের সাথে যেন বদলেছে পাকিস্তানের রূপ। পাকিস্তানের সাম্প্রতিক পার্ফরম্যান্স দেখলে যে কেউ তাঁদেরকে সেমিফাইনালের তালিকা থেকে বাদ দিতে পারেন।

কেননা সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের নেই কোনো আহামরি পারফর্ম্যান্স। গত কয়েক মাসে পাকিস্তানের দলে ছিল শুধুই পরিবর্তনের হাওয়া। কখনো কোচ, কখনো বা অধিনায়কের পরিবর্তন ঘটেছে পাকিস্তানের ক্রিকেটে। সম্প্রতি বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞের সম্ভাব্য সেমিফাইনালিস্টের তালিকা থেকে বাদ পড়েছে পাকিস্তানের নাম।

টম মুডি, সুনীল গাভাস্কার কিংবা ম্যাথিউ হেইডেন কেউই সম্ভাব্য সেমিফাইনালিস্ট হিসেবে দেখছেন না পাকিস্তানকে। অবাক করা বিষয় কিংবদন্তী ব্রায়ান লারা তাঁর সম্ভাব্য সেমিফাইনালিস্টের তালিকায় আফগানিস্তানকে রাখলেও, সে তালিকায় রাখেননি পাকিস্তানকে।

তবে তাঁদের সবার তালিকায় ছিল পাকিস্তানের চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের নাম। তাই প্রশ্ন থেকেই যায়, বিশেষজ্ঞদের তালিকায় কেনো নেই পাকিস্তান? উত্তরটা খুব সম্ভবত পাকিস্তানের সাম্প্রতিক অবস্থা।

আসন্ন বিশ্বকাপে একই গ্রুপে আছে ভারত -পাকিস্তান। আগামী ৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে মাঠে নেমে পাকিস্তান তাঁদের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে। আর ৯ জুন হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারতের। তারপর ১১ জুন কানাডার বিপক্ষে আর ১৬ জুন আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাঁদের গ্রুপ পর্বের সমাপ্তি ঘটাবে পাকিস্তান।

সবার ধারণা গ্রুপ পর্বের বাঁধা সহজেই টপকে গেলেও, সুপার এইটের মঞ্চে গিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়বে পাকিস্তান। তবে ২০০৭ এবং ২০২২ সালে বিশ্বকাপের দ্বার প্রান্তে গিয়েও ফিরে আসতে হয় পাকিস্তান।

আবার ২০০৯ সালে পেয়েছিল শিরোপার স্বাদ। দুই বারের রানার্স আপ এবং একবারের চ্যাম্পিয়নকে এত সহজেই সেমিফাইনালের তালিকা থেকে বাদ দেয়া মোটেও ঠিক হবে না। তাছাড়া দলটা যেহেতু পাকিস্তান, যেকোনো পরিস্থিতিতে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে বাবর আজম- শাহীন আফ্রিদিরা। তাইতো এখন দেখার বিষয় এবারের আসরে কতটা চমক দেখাতে পারে পাকিস্তান।

 

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

আরও পড়ুন
মন্তব্যসমূহ
Loading...