ধ্বংসস্তুপ থেকে উঠে আসা সুন্দর!

আহমেদাবাদের ব্যাটিং সহায়ক পিচেও ভাঙনের শিকার হয়েছে গুজরাটের ব্যাটিং লাইনআপ। সেখানে একমাত্র আশার আলো হয়ে এসেছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর।

সবাই ধরেই নিয়েছিল সব শেষ। গুজরাট টাইটান্স পাবে না লড়াইয়ের পুঁজিটুকু। তবে কখনও কখনও অন্ধকারে তো মশাল হাতে এগিয়ে কেউ, গুজরাট টাইটান্সের জন্য এলেন ওয়াশিংটন সুন্দর।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ফাইনাল বলেই আলাদা আকর্ষণ ছিল দর্শকদের মাঝে। কিন্তু, সেখানেই ব্যর্থ হলেন গুজরাট টাইটান্সের টপ-অর্ডারের ব্যাটাররা। তখনই আগমন ঘটে ওয়াশিটনের। ধ্বংসস্তুপ থেকে দলকে টেনে তোলার সকল চেষ্টা একাই করে গেলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে।

পুরো আসরজুড়ে গুজরাটের ব্যাটিং চাহিদার সমস্ত রসদ জুগিয়ে গিয়েছিলেন অধিনায়ক শুভমান গিল, সাই সুদর্শন আর জস বাটলার। কিন্তু, নিজেদের ঘরের মাঠে ফাইনাল ম্যাচে নেমে এই তিনজনের কারোর ব্যাট হেসেছে তা বলা যাবে না। সেখানেই উদয় ঘটে সুন্দরের।

৫৫ রানে নিজেদের তৃতীয় উইকেট হারালে ওয়াশিংটন ক্রিজে আসেন। ইনিংসের বাকি সময়টা দলের ডুবতে থাকা নৌকা তীরে ভেড়ানোর চেষ্টা করলেও সঙ্গীহীন ছিলেন। জস বাটলার কিংবা রাহুল তেওয়াতিয়ার মতো ব্যাটাররা ওয়াশিংটনকে লড়াইয়ের মুখে রেখে ক্রিজ ছেড়ে সাজঘরে ফিরেছেন।

জস হ্যাজলউড, ভুবনেশ্বর কুমারদের নিয়ে সাজানো আরসিবির বোলিং লাইনের সামনে যেখানে আর কেউ কুল পাননি সেখানে একা কথা বলেছে ওয়াশিংটনের ব্যাট। একেবারে অপরাজিত থেকে মুখোমুখি হয়েছেন ৩৭ বলের। যেখান থেকে পাঁচ চারে এসেছে একেবারে গুনে গুনে ৫০টি রান।

আহমেদাবাদের ব্যাটিং সহায়ক পিচেও ভাঙনের শিকার হয়েছে গুজরাটের ব্যাটিং লাইনআপ। সেখানে একমাত্র আশার আলো হয়ে এসেছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। এবারের আইপিএলে তাঁর দ্বিতীয় অর্ধশতকে ভর করে গুজরাট পেয়েছে ১৫৫ রানের সীমিত সংগ্রহ।

 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link