দিনের শুরুটা সব সময় বাকি দিনের সঠিক পূর্বাভাস দেয় না। তা না হলে, নাহিদ রানার রেকর্ড গড়া বোলিংয়ের দিনে বাংলাদেশ দল হারে কি করে?
হ্যাঁ, ওয়ানডের শুরুটাও হার দিয়ে শুরু হয়েছে বাংলাদেশের। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়ের করা ১৪১ রানের জবাবে মাত্র ১১৬ করে অলআউট হয় বাংলাদেশ দল। জিম্বাবুয়ের বোলারদের শর্ট বলের বিপক্ষে বাংলাদেশের তেমন কোনো জবাব ছিল না।
জিম্বাবুয়েও নিশ্চয়ই ভাবেনি, ৭০ রানে আটটি উইকেট পতনের পর এভাবে তাঁরা ম্যাচে ফিরে আসতে পারবে, শেষ পর্যন্ত জিততে পারবে। প্রথমে ব্যাট করতে নামা স্বাগতিকরা বিনা উইকেটে ৩৬ রান করার পর দুই রানের মধ্যে তিন উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।

এরপর নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদের তাণ্ডবে ১০০ রানের নিচেই অলআউট হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। কিন্তু, জিম্বাবুয়ের অষ্টম উইকেট পতনের পর অল আউট আক্রমণে না গিয়ে বাংলাদেশের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ স্পিন অপারেশন চালু করেন।
ফলে জিম্বাবুয়ের জন্য রান করা সহজ হয়। নবম উইকেট জুটিতে ৬৩ রানের জুটি গড়েন নিউম্যান ন্যামহারি ও রিচার্ড এনগারাভা। শেষ অবধি বোর্ডে ১৪১ রান জড়ো করে জিম্বাবুয়ে।
সেখান থেকেও জিম্বাবুয়ের জয় মিরাকলই ছিল। কিন্তু, বাংলাদেশের ব্যাটারদের ব্যর্থতা তাঁদের কাজ সহজ করে দেয়। ১৭ রানে তিন উইকেট হারানো বাংলাদেশ তাওহীদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহানের ব্যাটে ভর করে এগিয়ে যাচ্ছিল।

তবে, হৃদয় ২৫ ও সোহান ৩১ রান করে আউট হয়ে ফিরে গেলে বাংলাদেশের পরাজয় ছিল কেবলই সময়ের ব্যাপার। ১৬.৫ ওভার বাকি থাকতেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ দল।
দিন শেষে ঘুরে ফিরে একটা প্রশ্নই বারবার সামনে আসছে, ৭০ রানে আট উইকেট পতনের পর কেন পেসারদেরই চালিয়ে গেলেন না মিরাজ, কেন আক্রমণে স্পিনারদের আনলেন? কেনই বা জিম্বাবুয়ের জন্য ব্যাটিংটা সহজ করে দিলেন?










