বিসিএলে বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন যারা

সেন্ট্রাল জোনের শিরোপা উঁচিয়ে ধরার মধ্য দিয়ে পর্দা নামল বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) বিশেষ এই আসরের। সামনেই পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ, আর সেই চ্যালেঞ্জকে মাথায় রেখেই এবারের আসরটি আয়োজিত হয়েছিল ওয়ানডে ফরম্যাটে। ব্যাটে-বলের লড়াই শেষে মাঠের লড়াই থামলেও, ব্যক্তিগত অর্জনের ঝুলি পূর্ণ করে পাদপ্রদীপের আলোয় এখন কতিপয় দেশি ক্রিকেটার।

সেন্ট্রাল জোনের শিরোপা উঁচিয়ে ধরার মধ্য দিয়ে পর্দা নামল বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) বিশেষ এই আসরের। সামনেই পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ, আর সেই চ্যালেঞ্জকে মাথায় রেখেই এবারের আসরটি আয়োজিত হয়েছিল ওয়ানডে ফরম্যাটে। ব্যাটে-বলের লড়াই শেষে মাঠের লড়াই থামলেও, ব্যক্তিগত অর্জনের ঝুলি পূর্ণ করে পাদপ্রদীপের আলোয় এখন কতিপয় দেশি ক্রিকেটার।

অস্ট্রেলিয়ার হোবার্ট থেকে মিরপুরের হোম অব ক্রিকেট – রিশাদ হোসেনের লেগ স্পিনের ইন্দ্রজাল যেন থামার নামই নেই। বিগ ব্যাশে হোবার্টের হয়ে সাফল্যের ঝাণ্ডা উড়িয়ে দেশে ফেরার পর অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপেও উইকেট শিকারির তালিকায় শীর্ষে ছিলেন তিনি।

সেই ধারাবাহিকতা বজায় থাকল বিসিএলেও। নর্থ জোনের জার্সিতে মাত্র চার ইনিংসে বল হাতে নিয়ে রিশাদ ড্রেসিংরুমে পাঠিয়েছেন নয় জন ব্যাটারকে। উইকেট প্রতি মাত্র ২৩.৭৭ রান খরচ করে এবং ছয়ের নিচে ইকোনমি বজায় রেখে তিনি প্রমাণ করেছেন, সাদা বলের ক্রিকেটে তিনি কতটা অপরিহার্য হয়ে উঠছেন।

​তালিকার দ্বিতীয় নামটি উদীয়মান পেসার রিপন মন্ডলের। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের হয়ে বিপিএল জয়ের স্বাদ মিটতে না মিটতেই এবার সেন্ট্রাল জোনের হয়ে বিসিএল শিরোপাও নিজের শোকেসে তুললেন তিনি। দলের এই জয়ে বল হাতে তার অবদান অনস্বীকার্য। চার ইনিংসে ২৬.৬২ গড়ে ৮টি উইকেট শিকার করে তিনি আবারও নির্বাচকদের নজরে আসার জোরালো দাবি জানালেন।

বোলিং গতিতে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে তালিকার তিন নম্বরে নাম লিখিয়েছেন নাহিদ রানা। নর্থ জোনের হয়ে খেলা এই এক্সপ্রেস পেসার মাত্র তিন ইনিংসে বল হাতে নিয়েই তুলে নিয়েছেন সাতটি উইকেট। উইকেট প্রতি দিয়েছেন কেবল কুড়ি রান করে। সমান সংখ্যক উইকেট শিকার করেছেনে একই দলে খেলা এসএম মেহেরব। উইকেট প্রতি তার গুনতে হয়েছে ২০.২৮ রান।

অবিশ্বাস্য হলেও তালিকার পাঁচ নম্বর নামটি সৌম্য সরকার। সেন্ট্রাল জোনে খেলা এই অলরাউন্ডার তিন ইনিংসে মোটে ছয় জনকে তার স্লোয়ারের ফাঁদে ফেলেছেন। সমান সংখ্যক ছয়টি করে উইকেট নিয়েছেন নাইম হাসান, আবু হায়দার রনি এবং শরীফুল ইসলাম।

লেখক পরিচিতি

ক্রীড়াচর্চা হোক কাব্য-কথায়!

Share via
Copy link