টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আবারও প্রশ্ন উঠেছে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে নেওয়া ক্যাচকে ঘিরে। ২০২৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে বাউন্ডারি লাইন থেকে ক্যাচ নিয়েছিলেন সুরিয়াকুমার যাদব। সেই ক্যাচটিকে ঘিরে প্রশ্ন উটেছিল। এবার ২০২৬ বিশ্বকাপে এইডেন মার্করামের ক্যাচ লুফে নিয়েছেন ড্যারিল মিচেল। এবারও সেই ক্যাচ প্রশ্নবিদ্ধ।
মার্করামের খেলার লফটেড শটে ক্যাচ ওঠে লং অনে। মাটির খুব কাছাকাছি অবস্থান থেকে ক্যাচটা তালুবন্দী করেন ড্যারিল মিচেল। কিন্তু প্রশ্ন ওঠে, ‘সেটি কি আউট ছিল?’ একেবারে চুল পরিমাণ দূরত্ব। মিচেলের আঙুলগুলো ভাঁজ হয়ে গিয়েছিল। তৃতীয় আম্পায়ার নিতিন মেনন সিদ্ধান্ত নিলেন সেটি আউট।

কিন্তু তবুও দ্বিধার সমাপ্তি ঘটেনি। বেশ ভাল করে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, বলটা মাটিতেও স্পর্শ করেছে। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এমন একটি ক্যাচ ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে। সাধারণত তাই শতভাগ নিশ্চিত হতে টিভি আম্পায়াররা দীর্ঘক্ষণ সময় ব্যয় করে থাকেন। বেশ কয়েকটি দৃষ্টিকোণ থেকে ক্যাচটি দেখার চেষ্টা করে থাকেন। কিন্তু মার্করামের ক্ষেত্রে ঘটেনি তেমন কিছুই।
বেশ দ্রুততার সাথে মেনন জানিয়ে দেন সেটি আউট। এক্ষেত্রে তার যুক্তি ছিল বলের নিচে থাকা মিচেলের ডানহাতের আঙুল। কিন্তু ভিডিও চিত্রে স্পষ্ট কোন ধারণা পাওয়া যায় না। এসব ক্ষেত্রে বেনিফিট অব ডাউট যায় ব্যাটারদের পক্ষে। কিন্তু মার্করামকে দেওয়া হয় আউটের সিদ্ধান্ত।

আর সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের খেসারত দিতে হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে। মাত্র ৭৭ রানেই পাঁচ উইকেট হারায় দলটি। দলের সেরা পারফরমার মার্করাম আউট হয়েছেন স্রেফ ১৮ রান করে। তার বিতর্কিক আউটের প্রভাব গোটা দলের ভেতরই পড়েছিল। এক্ষেত্রে কি নিতিন মেনন আরেকটু সময় নিতে পারতেন? তিনি কি আরও কয়েকটি অ্যাঙ্গেল থেকে ক্যাচের ভিডিও ফুটেজ দেখতে পারতেন? এমন সব প্রশ্ন তাই থেকেই যাচ্ছে দিনশেষে।











