ভাল ব্যাটার যখন টাচে থাকেন, তখন পাঁচটা ম্যাচের মধ্যে তিনটাতেই বড় ইনিংস খেলে ফেলেন। গ্রেট ব্যাটাররা টাচে থাকলে তিন ইনিংসের সবগুলোতেই ইনিংস বড় করতে পারেন। সাঞ্জু স্যামসন যেমন টানা তিনটা বড় ইনিংস খেললেন। তাহলে সেই ২০১৫ সালে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অভিষিক্ত সাঞ্জু স্যামসন কি অবশেষে গ্রেটনেসের ছোঁয়া পেতে শুরু করলেন।
কেরালার বরপুত্ররা দলে থাকলে ভারত কখনও বিশ্বকাপ হারে না। ১৯৮৩ সালের সুনীল ওয়ালসন, ২০০৭ বা ২০১১ সালের শান্তাকুমারান শ্রীশান্থ। এরপর ২০২৪ সালে ছিলেন সাঞ্জু স্যামসন, আর এবার তো তিনিই ভারতের মহানায়ক।

বাকিদের কেউ সেই অর্থে বিশ্বকাপ ফাইনালে পারফরাম করতে পারেননি। তবে, সাঞ্জু স্যামসন অন্য ধাতুতে গড়া। তিনি হারিয়ে যেতে আসেননি, তিনি সাধারণ গড়পড়তা হয়ে বেঁচে থাকতে আসেননি। তিনি এসেছেন শাসন করতে। তাঁর ব্যাট তাই আহমেদাবাদে ফাইনালের মঞ্চে বারবার গর্জে উঠেছে, বলছে চেয়েছে – দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ!
হ্যাঁ, ঋণ শোধ করতে পেরেছেন সাঞ্জু। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে সেমিফাইনাল ও ফাইনালে হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, খেলেছেন বিশ্বকাপ ফাইনালের সবচেয়ে বড় ইনিংস।

আউট হওয়ার আগে করেন ৮৯ রান। ৪৬ বলে আটটি ছক্কা আর পাঁচটি চার হাকান। আবারও সেঞ্চুরি থেকে সামান্য দূরে থাকতে গিয়ে ফিরেছেন সাজঘরে। তিনি সেঞ্চুরির পেছনে ছুটেননি, ছুটেছেন দলগত অর্জনের পথে। গ্রেট ব্যাটাররা নিজস্ব লক্ষ্য নয়, দলের হয়েই খেলে যান সব সময়। এজন্যই তিনি কেরালার বাকি ক্রিকেটারদের চেয়ে আলাদা।










