দলের প্রয়োজনেই যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত লিটন!

'লিটনকে রাজি করাতে হয়নি। দলের যা প্রয়োজন সেটাই করতে প্রস্তুত আছে। এজন্য তাকে রাজি করানোর কিছু নেই।' মিডল অর্ডারে ব্যাট করার জন্য লিটনকে বোঝাতে হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের ফিল সিমন্স-এর সোজাসাপ্টা উত্তর। ফেরার জন্য তেমন কোনো বিশেষ কারণ নিয়ে আসেননি লিটন, তবে তাঁকে সুযোগ দেওয়া কেন হলো? মিডল অর্ডারের শূন্যতা পূরণেই যে লিটনের মতো একজনকে বড্ড বেশি দরকার।

‘লিটনকে রাজি করাতে হয়নি। দলের যা প্রয়োজন সেটাই করতে প্রস্তুত আছে। এজন্য তাকে রাজি করানোর কিছু নেই।’ মিডল অর্ডারে ব্যাট করার জন্য লিটনকে বোঝাতে হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের ফিল সিমন্স-এর সোজাসাপ্টা উত্তর। ফেরার জন্য তেমন কোনো বিশেষ কারণ নিয়ে আসেননি লিটন, তবে তাঁকে সুযোগ দেওয়া কেন হলো? মিডল অর্ডারের শূন্যতা পূরণেই যে লিটনের মতো একজনকে বড্ড বেশি দরকার।

বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে আলোচনা নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে ওপেনিং ও মিডল অর্ডার নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা প্রায়ই দেখা যায়। সেই আলোচনায় আবারও উঠে এসেছে পাকিস্তান সিরিজকে সামনে রেখে।

ওপেনিংয়ে কিছুটা স্থিতিশীলতা এসেছে। সৌম্য সরকার আর সাইফ হাসানেই আস্থা রাখতে চায় ম্যানেজমেন্ট। টপ অর্ডারে নাজমুল শান্তর উপস্থিতিও রয়েছে। প্রশ্ন ছিল, লিটন তবে কোথায়? সব ধোঁয়াশা দূর করে দিলেন সিমন্স। তবে এখানেও প্রশ্ন আসতে পারে, টপ অর্ডার ব্যাটার হয়ে মিডল অর্ডার সামলাতে পারবেন কি লিটন?

সিমন্সের যুক্তিটাও যথেষ্ট বাস্তবসম্মত। একজন উইকেটকিপার ব্যাটারের জন্য পুরো ৫০ ওভার কিপিং করার পর আবার ইনিংসের শুরুতে ব্যাট করতে নামা মোটেই সহজ কাজ নয়। শারীরিক ও মানসিক চাপ, দুটোই সেখানে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তাই দল চাচ্ছে, লিটনের ব্যাটিং সামর্থ্যকে একটু ভিন্নভাবে কাজে লাগাতে।

কোচ বলেন, লিটন স্পিনের বিপক্ষে দলের অন্যতম সেরা ব্যাটার। আর ওয়ানডে ক্রিকেটে ইনিংসের মাঝের সময়টা অর্থাৎ মিডল ওভার, প্রধানত স্পিনারদের দখলেই থাকে। সেই জায়গায় লিটনের মতো একজন দক্ষ ব্যাটার থাকলে দল অনেক বেশি সুবিধা পেতে পারে।

ফিল সিমন্স বলেন, ‘৫০ ওভার কিপিং করে ওপেন করা খুব কঠিন। একইসঙ্গে সে স্পিনের বিপক্ষে আমাদের অন্যতম সেরা ব্যাটার। তাই মিডল ওভারে ওকে রাখলে ভালো হবে। ওর সক্ষমতা আমাদের প্রয়োজন মেটাতে পারবে।’

শুধু কৌশলগত দিক থেকেই নয়, মানসিকভাবেও এখন অনেকটা স্বস্তিতে আছেন লিটন দাস। কোচের ভাষ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে তিনি বেশ নির্ভার হয়ে খেলছেন এবং দলের প্রয়োজনে যেকোনো দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত।

সিমন্স আরও যোগ করেন, ‘সে যেকোনো পজিশনে ব্যাট করতে প্রস্তুত। সে এখন নির্ভার হয়ে খেলছে। দলের যে চাহিদা তা পূরণ করতে সে প্রস্তুত আছে। ও পারফর্ম করতে মুখিয়ে আছে।’

এখন দেখার, লিটন আসলে নিজের সক্ষমতার কতটুকু দিতে পারেন দলকে। নতুন ভূমিকায় যদি ক্লিক করতে পারেন, তবে দলের মিডল অর্ডারে একটি স্থায়ী সমাধান হতে যাচ্ছে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link