পাদ্দিকাল যেন নান্দনিকতার দেবদূত!

ঘরের মাঠে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ২০৮ তাড়া করতে নেমে এক উইকেটের পতন ঘটলে ক্রিজে আসেন পাদ্দিকাল। এরপর খেলে গেছেন মনোমুগ্ধকর সব শট।

আনঅর্থোডক্স সব শট খেলো আর রান করো। বর্তমান প্রেক্ষাপটে টি-টোয়েন্টির সংজ্ঞা যেন এমনটাই। তবে এই তত্ত্বকে ভুল প্রমাণ করলেন দেবদূত পাদ্দিকাল। ক্লাস ব্যাটিংটা যে ক্রিকেটের সবচেয়ে সুন্দর নিদর্শন, এটা দিয়েও যে ঝড় তোলা যায় ২০০ স্ট্রাইক রেটে।

ব্যাটিংয়ের ব্যাকরণ মেনে সুন্দর সুন্দর শট খেলে ব্যাট করতে গেলে গতি কমে যাবে, সেই জায়গায় ব্যাকরণবহির্ভূত ব্যাট চালাতে হবে বিশ ওভারের ক্রিকেটে। বিশ ওভারের ক্রিকেটে ব্যাটিংয়ের সূত্র যেন হয়ে গিয়েছিল এটাই। কিন্তু, ভাগ্যিস দেবদূতরা আজও মর্ত্যে বিরাজ করেন।

ঘরের মাঠে গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে ২০৬ তাড়া করতে নেমে এক উইকেটের পতন ঘটলে ক্রিজে আসেন পাদ্দিকাল। এরপর খেলে গেছেন মনোমুগ্ধকর সব শট। প্রদর্শন করেছেন নান্দনিকতার চূড়ান্ত রূপ। তাও আবার ২০০ এর বেশি স্ট্রাইকরেটে।

নিজের খেলা প্রথম বলেই ছক্কা দিয়ে শুরু করেছিলেন ইনিংস সাজানো। এরপর মোহাম্মদ সিরাজ, কাগিসো রাবাদা কিংবা রাশিদ খান, নড়বড়ে ছিলেন না কারো বিরুদ্ধেই।

খেলেছেন মাত্র ২৭ বল। একের পর এক মোহনীয় সব শট খেলে চিন্নাস্বামীর বুকে দাঁড়িয়ে গেছেন। দুই চার আর ছয়টি ছক্কায় খেলেছেন ৫৫ রানের ইনিংস। শেষটাতে দলও পেয়েছে পাঁচ উইকেটের বিশাল জয়।

ক্রিকেটের বিবর্তন আসবে আরও অনেক। খেলার ধরনে পরিবর্তনও আসবে। তবুও যত যাই হোক, দেবদূত পাদ্দিকালরা যতদিন ২২ গজে ব্যাট চালাবেন, নান্দনিকতা টিকে থাকবেই।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link