তাওহীদ হৃদয়ের এই রূপটাই সব সময় দেখতে চাইবে বাংলাদেশ। তিনি নামবেন একটা পজিটিভ মাইন্ড সেট নিয়ে। দলের পরিস্থিতি যেমনই থাকুক না কেন, তিনি স্কোরবোর্ডের চাহিদা মেটানোর জন্যই খেলবেন।
কখনও পারবেন কখনও পারবেন না, কিন্তু ব্যাটের ও মনের ভাবনা একই থাকবে। যেদিন পেরে যাবেন সেদিন কি হতে পারে, তারই একটা মঞ্চায়ন হল চট্টগ্রামে। বাংলাদেশ দুই ওভার হাতে রেখে ১৮৩ রান তাড়া করল, আর এই জয়ে বড় অবদান হৃদয়ের এই হৃদয় জিতে নেওয়া মাইন্ড সেটে।
২৭ বলে ৫১ রানের ইনিংস। প্রায় ২০০ স্ট্রাইক রেটে করেছেন হাফ সেঞ্চুরি। ১০ ওভারে যেখানে বাংলাদেশের রান ছিল ৭৭, সেখান থেকে দুই ওভার হাতে রেখেই বাকিটা পথ পাড়ি দেয় স্বাগতিকরা। দিতে পারে, কারণ কাণ্ডারি ছিলেন তাওহীদ হৃদয়।

মাঠে নেমে মুহূর্তের মধ্যে পাল্টে দিয়েছিলেন বাংলাদেশের গতি বিধি। পারভেজ হোসেন ইমন দিয়ে যান যোগ্য সঙ্গ। চতুর্থ উইকেট জুটিতে দু’জন মিলে যোগ করেন ৬৭ রান। এক সাথে ক্রিজে ছিলেন মাত্র ২৮ বল। বাংলাদেশের রান তাড়ার পথে সবচেয়ে বড় ম্যাজিক এটাই।
ম্যাজিশিয়ানের নাম হৃদয়। ইমনকে সাথে নিয়ে পাল্টা আক্রমণটা শুরু করেছিলেন বলে বাংলাদেশের ম্যাচ তাড়ার লড়াইটা শেষ বেলায় এতটা সহজ হয়ে গেছে। যতদিন হৃদয় এই মানসিকতায় খেলবেন, ততদিন বাড়বাড় এভাবে ম্যাচ জয়ের সুযোগ বাড়বে বাংলাদেশের।










