সমীকরণের মারপ্যাঁচ ছাড়াই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ!

বাংলাদেশ এ' দল অন্তত সমীকরণের অস্বস্তি থেকে মুক্তি দিল সমর্থকদের। আফগানিস্তান এ' দলকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্স টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল অনেকটা নিশ্চিত করে ফেলল আকবর আলীর দল। পয়েন্ট টেবিলে বাংলাদেশ এখন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

বাংলাদেশ এ’ দল অন্তত সমীকরণের অস্বস্তি থেকে মুক্তি দিল সমর্থকদের। আফগানিস্তান এ’ দলকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে এশিয়া কাপ রাইজিং স্টার্স টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল অনেকটা নিশ্চিত করে ফেলল আকবর আলীর দল। পয়েন্ট টেবিলে বাংলাদেশ এখন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

আগে ব্যাট করতে নামা আফগানিস্তানকে শুরুতেই নাস্তানাবুদ করে দেয় বাংলাদেশের বোলাররা। রিপন মন্ডলের আগ্রাসী বোলিং সামলাতে না পেরে টপ অর্ডারের ব্যাটাররা একে একে ফিরে যান সাজঘরে। মিডল অর্ডার ভাঙার গুরুদায়িত্ব নেন মেহরাব। আর তাতেই ছন্নছাড়া হয়ে যায় আফগানরা।

ডারউইস রাসুলি কিছুটা চেষ্টা চালান একটা লড়াকু পুঁজি বোর্ডে এনে দেওয়ার। তবে ২৭ রানেই থামতে হয় তাঁকে। সাকলাইনের শিকার হয়ে দলের ভাগ্যকে সাথে নিয়ে চলে যান সাজঘরে। বাকি কাজটা শেষ করেন রাকিবুল হাসান। লোয়ার অর্ডারের ব্যাটারদের ঘায়েল করে ফেলেন নিমিষেই। চার ওভার হাত ঘুরিয়ে মোটে সাত রান খরচায় শিকার করেন তিনটি উইকেট। আর তাতেই আফগানরা ধরাশায়ী হয় মাত্র ৭৮ রানেই।

এত অল্প রানের লক্ষ্য যে ম্যাচকে একপেষে বানাবে সেটা অনুমেয়ই ছিল। যদিও আফগানদের স্পিন সামলাতে শুরুর দিকে কিছুটা কষরতে হয়েছে ব্যাটারদের। দুই ওপেনারের কেউ তেমন সুবিধা করে উঠতে পারেননি। দলীয় ২৪ রানের মাথায় ফিরতে হয় তাঁদের।

তবে আর কোন বিপত্তি ঘটার সুযোগ দেননি জাওয়াদ আবরার এবং মাহিদুল ইসলাম অংকন। দেখেশুনেই ধীরে ধীরে নিজেদের হাতের মুঠোয় নিয়ে আসেন ম্যাচটাকে। শেষমেষ ৩৯ বল আর আট উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ।

সেই সাথে একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গেল সেমিফাইনালও। এখনও বাংলাদেশের হাতে আছে এক ম্যাচ। সেটা হারলেও কিছু যায় আসে আকবরদের। দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে যে সবার উপরের আসনটা ধরে রেখেছে তাঁরা। সেই সাথে রান রেটটাও আকাশ ছোঁয়া। এমন দাপট তাই তো স্বপ্ন দেখাচ্ছে শিরোপা জয়ের।

Share via
Copy link