সব জল্পনা-কল্পনার মেঘ কাটিয়ে অবশেষে আবারও ২২ গজে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ আর ভারত। অপেক্ষা কেবল বিসিসিআই ও ভারতীয় সরকারের গ্রিন সিগন্যালের।
২০২৪ সালের পর দুই দেশের মধ্যকার যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল, ক্রিকেটের হাত ধরে তা অবশেষে কাটতে শুরু করেছে। দুই প্রতিবেশী দেশের ক্রিকেটের এই মহারণ দেখতে মুখিয়ে আছেন ভক্তরা।
জুলাইয়ের শুরুতেই এই মেগা সিরিজের টেলিভিশন ও ডিজিটাল মিডিয়া স্বত্ব বিক্রির জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এর আগে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা ইস্যুতে সিরিজ নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও, বিসিবির এই সাহসী পদক্ষেপ সব সংশয়কে উড়িয়ে দিচ্ছে।

বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ রাব্বানি ক্রিকবাজকে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমরা নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারতকে হোস্ট করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। ভারতের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে সাদা বলের সিরিজ খেলার ইতিবাচক দিক সম্পর্কে সবাই আমরা অবগত।’
যদিও বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) এখনো এই সফর নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। ঘোষণা করা সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৮ আগস্ট বাংলাদেশে পা রাখবে বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মারা।
সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ। এরপরেই ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে তিন ম্যাচ লড়বে দুই দল। সবকিছু ঠিক থাকলে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে ভারতের মাটিতে হওয়া সিরিজের পর প্রথমবারের মতো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলবে দুই দেশ।

ভারত আর বাংলাদেশের ২২ গজে একে অন্যের বিপক্ষে মাঠে নামা সবসময়ই উন্মাদনার জন্ম দেয়। গত বছরের এশিয়া কাপের পর প্রতিবেশি দেশের বিপক্ষে মাঠে নামার সুযোগ পায়নি টাইগাররা। আর কোনো বিপত্তি না আসলে স্বল্প দিন পরেই আবারও ক্রিকেটের ময়দানে মোকাবিলা করতে যাচ্ছে এই দুই দেশ।










