শেষ ষোলোর টিকিট পেল মিশর!

৯০ মিনিট পার হয়ে গেল, ইতিহাস লেখা হলো না, ঘড়ির কাঁটা ১২০ মিনিট পার করলেও ফলাফল এলো না। তখন অপেক্ষা করতে হলো পেনাল্টি স্পটের সেই নির্মম পরীক্ষার। সেখানে স্নায়ু ধরে রাখতে পারলেই মিলবে অমরত্ব। আর সেই পরীক্ষাতেই এবার উতরে গেল মিশর।

৯০ মিনিট পার হয়ে গেল, ইতিহাস লেখা হলো না, ঘড়ির কাঁটা ১২০ মিনিট পার করলেও ফলাফল এলো না। তখন অপেক্ষা করতে হলো পেনাল্টি স্পটের সেই নির্মম পরীক্ষার। সেখানে স্নায়ু ধরে রাখতে পারলেই মিলবে অমরত্ব। আর সেই পরীক্ষাতেই এবার উতরে গেল মিশর। অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় করে দিয়ে ৯২ বছর পর নকআউট পর্বের কোনো ম্যাচ জিতল মোহাম্মদ সালাহর মিশর।

ম্যাচের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলছিল মিশর। ১৩তম মিনিটেই তাদের পরিকল্পিত আক্রমণ এনে দেয় কাঙ্ক্ষিত গোল। যার কারিগর ইমান আশুর। প্রথমার্ধজুড়ে সেই ব্যবধান ধরে রাখে মিশর। বিরতিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা দলটি তখন ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখছিল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান দ্বিগুণ করার বড় সুযোগ অবশ্য পেয়েছিল মিশর। তবে সেটা কাজে লাগেনি। তবে অস্ট্রেলিয়া দ্রুতই ম্যাচে ফিরে আসে। ৫৫তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে উড়ে আসা বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে আত্মঘাতী গোল করে বসেন মোহাম্মদ হানি। তাঁর ভুলেই ১-১ সমতায় ফিরে আসে অস্ট্রেলিয়া। এরপর দুই দলই একাধিক আক্রমণ চালালেও আর গোলের দেখা মেলেনি।

অতিরিক্ত সময়েও ফলাফল আসেনি। ভাগ্য নির্ধারণ করতে তাই পেনাল্টি শুটআউটে যেতে হয়। যেখানে শুরু থেকেই এগিয়ে যায় মিশর। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শটেই হ্যারি শুটার বল উড়িয়ে মারেন বারের ওপর দিয়ে। আরও একবার তারা এই কাজ করে। চতুর্থ শটেও ক্রসবারে লাগে বল। তবে মিশর কোনো ভুল করেনি। টানা চার শটে চার গোল আদায় করে। পঞ্চম শট পর্যন্ত যাওয়ার আগেই নিশ্চিত হয়ে যায় ম্যাচের ভাগ্য। ৪-২ ব্যবধানে জিতে যায় মিশর।

এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জেতার গল্প নয়, এটি প্রায় এক শতকের অপেক্ষার অবসানও। ১৯৩৪ সালের পর দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে খেলতে নেমে এবার প্রথম জয়ের স্বাদ পেল মিশর। সেই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শেষ ষোলোর টিকিটও নিশ্চিত করল তারা।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link