ম্যাচ হেরেছে কঙ্গো, কিন্তু হারেননি লিওনেল এমপাসি।
কলম্বিয়ার হলুদ ঝড়ের সামনে গোটা দল যখন বারবার কাঁপছিল, তখন গোলবারের সামনে একা দাঁড়িয়ে দেয়াল হয়ে ছিলেন এই গোলরক্ষক। লুইস দিয়াজের বাঁকানো শট, গুস্তাভো পুয়ের্তার দূরপাল্লার কামান — একটার পর একটা এসে আছড়ে পড়ছিল, আর এমপাসি প্রতিবারই ফিরিয়ে দিচ্ছিলেন। কলম্বিয়া ১৯টি শট নিয়েছিল পুরো ম্যাচে। মনে হচ্ছিল যেন পুরো খেলাটাই কলম্বিয়া বনাম এমপাসি।
৭৬ মিনিটে ড্যানিয়েল মুনিওজের গোল যখন জালে গেল, সেটা এমপাসির ব্যর্থতা ছিল না — ডিফেন্সের ফাঁক গলে আসা একটা বল, যেটা আটকানোর সুযোগই তাঁর ছিল না। বরং সেই মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি একাই কঙ্গোকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন।

এই বিশ্বকাপে এটা অবশ্য নতুন কিছু নয়। প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষে রোনালদো-ব্রুনোদের আটকে ১-১ ড্র করিয়ে এনেছিলেন। ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা কঙ্গোর প্রথম পয়েন্টটা আসলে এমপাসির হাতেই লেখা হয়েছিল।
ফ্রান্সে জন্ম, রোদেজের মতো ছোট ক্লাবে বছরের পর বছর কাটানো, লে হাভ্রেতে এসেও বেঞ্চে বসে থাকা — এমপাসির গল্পটা কোনো রূপকথার মতো মসৃণ ছিল না। কিন্তু বিশ্বকাপের এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি প্রমাণ করছেন, বড় নাম না থাকলেও বড় হৃদয় থাকলে ইতিহাস লেখা যায়।












