বিপিএলকে আমূল বদলে দিতে তামিম বোর্ডের মাস্টারস্ট্রোক

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগকে (বিপিএল) আমূল বদলে দিতে মাঠে নেমেছে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বিসিবি। বছরের পর বছর ধরে মানহীন আয়োজন, বিদেশি তারকা সংকট আর পারিশ্রমিক বিতর্ক — এই দুষ্টচক্র ভেঙে বিপিএলকে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান নতুন বোর্ড সভাপতি। এবার তাই শুধু আশ্বাস নয়, কাঠামোগত পরিবর্তনেই হাত দিয়েছে বিসিবি।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগকে (বিপিএল) আমূল বদলে দিতে মাঠে নেমেছে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বিসিবি। বছরের পর বছর ধরে মানহীন আয়োজন, বিদেশি তারকা সংকট আর পারিশ্রমিক বিতর্ক — এই দুষ্টচক্র ভেঙে বিপিএলকে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান নতুন বোর্ড সভাপতি। এবার তাই শুধু আশ্বাস নয়, কাঠামোগত পরিবর্তনেই হাত দিয়েছে বিসিবি।

বিসিবির সহ-সভাপতি ও বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ফাহিম সিনহা জানিয়েছেন, আইপিএল বা পিএসএলের আদলে একটি পূর্ণাঙ্গ বিজনেস মডেল তৈরির কাজ চলছে। সেটা চূড়ান্ত হলেই বিভিন্ন বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে পিচ করা হবে।

নতুন কাঠামোয় আসছে বড় পরিবর্তন। ফ্র্যাঞ্চাইজি দেওয়া হবে পাঁচ বছর মেয়াদে, যাতে মালিকরা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা করতে পারেন। এই প্রথমবারের মতো বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও ফ্র্যাঞ্চাইজি কিনতে পারবেন। টুর্নামেন্টের মোট মুনাফার ৩০ শতাংশ ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে ফিরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আয়োজক কমিটিতে বোর্ডের বাইরের বিশেষজ্ঞরাও থাকবেন। টুর্নামেন্ট পরিচালনায় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান আইএমজিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শুধু মাঠের মান নয়, গ্যালারিতে দর্শকের অভিজ্ঞতাও এবার বোর্ডের নজরে। দর্শকের সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে আলাদাভাবে মনোযোগ দেওয়ার কথা ভাবছে বিসিবি — বিপিএলকে শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, একটি উৎসব হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন এখন বোর্ডের।

তবে সতর্কবার্তাও দিলেন ফাহিম। কমপক্ষে পাঁচ-ছয়টা মানসম্পন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি না পেলে এক বছরের জন্য আসর স্থগিত রাখার কথাও ভাবছে বোর্ড। জোড়াতালি দিয়ে বিপিএল আর নয় — এটাই এখন তামিম বোর্ডের অবস্থান।

তামিম ইকবাল কেবল কথায় থামেননি — এডহক কমিটির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই মাঠে নেমে কাজ করছেন। সদ্য ক্রিকেট ছেড়ে বোর্ডের চেয়ারে বসা এই মানুষটা জানেন, ড্রেসিংরুমের হতাশা কেমন লাগে, বিদেশি তারকা না আসলে টুর্নামেন্ট কতটা ফিকে হয়ে যায়। নিজে যা ভোগ করেছেন, সেই জায়গাগুলোতেই এখন একে একে হাত দিচ্ছেন তিনি। একজন ক্রিকেটার যখন বোর্ড চালান, তখন সমস্যার গভীরটা তিনি অন্যদের চেয়ে একটু বেশিই বোঝেন। বিপিএলকে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ব্র্যান্ড বানানোর যে স্বপ্ন তামিম দেখাচ্ছেন — সেই স্বপ্নটা আমরাও একটু দেখতে চাই।

 

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link