১৮ বছরের খরা কাটিয়ে ব্যাক-টু-ব্যাক শিরোপা জয়! রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর এই রূপকথার দুই আসরেই ব্যাট হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিরাট কোহলি। প্রথম জয়টা ঐতিহাসিক হলেও, দ্বিতীয় জয়ের অনুভূতিটা একদম অন্যরকম। নিজের অনুভূতি শেয়ার করতে গিয়ে কোহলি সাফ জানিয়ে দিলেন – এই ট্রফি অন্য সব ট্রফির চেয়ে আলাদা।
কেন এই জয় এত স্পেশাল? কোহলির ভাষায়, ‘শুরুটা ছিল অগাধ বিশ্বাস থেকে, আর শেষটা হলো ব্যাক-টু-ব্যাক চ্যাম্পিয়ন হয়ে। এই দলের প্রতিটি সদস্যের আবেগ, কঠিন সময়ের চাপ আর সমর্থকদের অবিচল ভালোবাসা। সব মিলিয়ে এই জয় আমার হৃদয়ের খুব কাছের।’
দীর্ঘ দেড় যুগের সম্পর্ক, যা কেবল পেশাদারী চুক্তি নয়, বরং হৃদয়ের রক্তে লেখা এক অমোঘ টান। বিরাট কোহলির কাছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু কোনো সাধারণ ফ্র্যাঞ্চাইজি নয়, এটি তাঁর একান্ত আপন ঠিকানা।

ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স যখন আরসিবিকে চাপে ফেলার চেষ্টা করছিল, তখনই পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন কোহলি। ৪২ বলে অপরাজিত ৭৫ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে তিনি দলকে পৌঁছে দেন শিরোপার বন্দরে।
টুর্নামেন্টের চতুর্থ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে ১৬ ইনিংসে ৫৬.২৫ গড়ে ৬৭৫ রান সংগ্রহ করেছেন বিরাট। যার মধ্যে রয়েছে একটি দৃষ্টিনন্দন সেঞ্চুরি ও পাঁচটি হাফ-সেঞ্চুরি। স্ট্রাইকরেটটাও ছিল ১৬০ এর উপরে।
আকাঙ্ক্ষার সেই দীর্ঘ সরণি পেরিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের এই বিজয়োল্লাস বিরাটের চোখে যেন এক প্রশান্তির জলছবি। ট্রফির ভারী ঔজ্জ্বল্যের চেয়েও তাঁর কাছে অনেক বেশি তৃপ্তিদায়ক হলো সেই মুহূর্তের নীরব উপলব্ধি, যেখানে প্রতিটি ঘাম আর লড়াই সার্থক হয় এক মহাকাব্যিক সাফল্যে।












