যে গোলটা করতে চাননি দ্যামিয়ান বোবাদিলা!

ম্যাচের ঘড়িতে তখন সপ্তম মিনিট চলমান, আর সে সময় নিজেদের বিপর্যয় নিজেই ডেকে আনলেন প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার দ্যামিয়ান বোবাদিলা। করে বসলেন এবারের বিশ্বকাপের প্রথম আত্মঘাতী গোল।

ম্যাচের ঘড়িতে তখন সপ্তম মিনিট চলমান, আর সে সময় নিজেদের বিপর্যয় নিজেই ডেকে আনলেন প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার দ্যামিয়ান বোবাদিলা। করে বসলেন এবারের বিশ্বকাপের প্রথম আত্মঘাতী গোল।

ম্যাচের শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র একের পর এক আক্রমণে চেপে ধরে প্যারাগুয়েকে। যা সামাল দিতে হিমশিম খেয়ে যায় রক্ষণভাগ। আর অন্তিম ভুলটা আসে তখনই।

মাঝমাঠ থেকে আক্রমণ শানায় যুক্তরাষ্ট্র, বল চলে যায় অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিকের কাছে। প্যারাগুয়ের ডিফেন্স ভেঙে শৈল্পিক দক্ষতায় সতীর্থ ম্যাককেনির উদ্দেশে বল দেন। ম্যাকও নিখুঁতভাবে বলকে গোলের অভিমুখে ঠেলে দেন।

তবে প্যারাগুয়ের গোলরক্ষকও প্রস্তুত ছিলেন, বলটা আটকানোর জন্য উদ্যত হন। আর তখনই বোবাদিলার পা ভুলবশত নিজেদের জালেই বল ঢুকিয়ে দেয়। বোকা বনে যেতে হয় প্যারাগুয়েকে।

ওটাই মূলত দুর্বল করে দেয় প্যারাগুয়ের মানসিক শক্তি। প্রতিপক্ষও সেই সুযোগটা লুফে নিয়ে একের পর এক আক্রমণের ঝড় নিয়ে হাজির হয় প্যারাগুয়ের শিবিরে। এসব দেখে নখ কামড়ানো ছাড়া কী-ইবা করার ছিল বোবাদিলার?

বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে ভুলের কোনো ক্ষমা নেই। এখানে এক সেকেন্ডের অসতর্কতা, এক মুহূর্তের বিভ্রান্তি কিংবা একটি ভুল সিদ্ধান্তই বদলে দিতে পারে পুরো ম্যাচের গল্প। আর সেই নির্মম সত্যটাই এবার সবচেয়ে কঠিনভাবে উপলব্ধি করলেন প্যারাগুয়ের এই মিডফিল্ডার।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link