তারকা খেলোয়াড়দের পায়ের জাদু। ঐতিহ্যবাহী ক্লাব গুলোর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। সব মিলিয়ে লা লিগাই যেন এখন ফুটবলের শেষ কথা। তবে, স্প্যানিশ ফুটবল আসরটি বারবার কলুষিত হয়েছে রেফারিদের অদক্ষতায়। প্রায় প্রতি ম্যাচেই রেফারিদের ভুল হয়েছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
জমজমাট শিরোপার লড়াই হয় স্পেনের ফুটবল আঙিনায়। এই মহা লড়াইয়ে একটি ভুল সিদ্ধান্ত সৃষ্টি করতে পারে মহা বিতর্কের। ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়ার জন্য একটি ভুল সিদ্ধান্তই যথেষ্ট। আর এই ভুলের কারিগর যেন লা লিগার রেফারিরা। বিতর্কিত সিদ্ধান্তে লেপ্টে থাকে প্রায় প্রতিটি ম্যাচ।
‘রেফারির সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ – এই নীতির সুযোগ নেয় অনেক সুযোগ সন্ধানী রেফারি। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অফসাইড, ফাউল কিংবা পেনাল্টি অনেক সিদ্ধান্তকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ ওঠে। বড় দলগুলোকে সুবিধা প্রদান করে রেফারিরা এমন প্রশ্ন আগেও উঠেছে বহুবার। আধুনিক প্রযুক্তি থাকার পরও অন্তহীন ভুলভ্রান্তি করতে দেখা যায় রেফারিদের। তাতে নাখোশ প্রায় প্রতিটা স্প্যানিশ ক্লাব।

রেফারিদের সুযোগ নেয়ার আকাঙ্খা এবং বড় ক্লাব গুলোর চাপের ফলে, গুটি কয়েক রেফারি বেছে নেয় অনৈতিক পথ। নির্দিষ্ট কোনো দলের প্রতি দুর্বলতা কিংবা সুসম্পর্কও এর অন্যতম কারণ। বিগত সময়ের সব থেকে আলোচিত ‘নেগ্রেইরা’ কেস। যেখানে বার্সেলোনার বিরুদ্ধে রেফারির সাথে আর্থিক লেনদেনের তথ্য নাড়িয়ে দিয়েছিল ফুটবল বিশ্ব। সেই ঘটনা হরহামেশাই চলে আসে আলোচনায়।
প্রজুক্তির প্রাচুর্যতা থাকলেও নেই এর উপযুক্ত ব্যাবহার। ভিএআরের সিদ্ধান্ত গুলোকে সঠিক মানতে নারাজ খেলোয়াড় এবং ক্লাব। এক পাক্ষিক সিদ্ধান্ত বলে দাবি করেন তারা। প্রযুক্তিগত সিদ্ধান্ত গুলোতে আনতে হবে স্বচ্ছতা।
এত কিছুর পরও লিগ পরিচালনাকারিদের নিতে দেখা যায়নি কোনো প্রকার পদক্ষেপ। রেফারিদের নিয়ে নেই কোনো নির্দিষ্ট নীতিমালা। নিয়ম ভঙ্গের জন্য নেই কোন সুনির্দিষ্ট শাস্তির বিধান। তাই তো তাঁরা একই ভুল বারবার করার দু:সাহস দেখান। শুধু প্রযুক্তি নির্ভর হলেই চলবে না। রেফারিদের পারদর্শিতা প্রদর্শনের সুযোগ থাকতে হবে পর্যাপ্ত। তাঁদের দক্ষতা বাড়াতে দিতে হবে প্রশিক্ষণ।










