টিম ডেভিড হাঁকালেন উইনিং বাউন্ডারি। মাঠের সকল ক্যামেরা খুঁজে নিল বিরাট কোহলিকে। ম্যাচ জয়ের অন্তিম লগ্নে তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ক্রুনাল। কিন্তু তার তো সমপরিমাণ মনোযোগ ছিল প্রাপ্য। দলের দারুণ জয়ে তারও তো রয়েছে সমান কিংবা খানিক বেশি কৃতীত্ব।
৪৭ বলে ৭৩ রানের ইনিংস উপহার দিয়েছেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। এই ইনিংসটিই তর্কসাপেক্ষে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর জয়ের পথটা তৈরি করে দিয়েছে। এক্ষেত্রে অবশ্য বিরাট কোহলিকে একেবারেই অগ্রাহ্য করবার উপায় নেই। পরিস্থিতি যে ছিল ভীষণ সংকটাপন্ন।
দলীয় ২৬ রানে তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে অধিনায়ক রজত পাতিদার ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। দিল্লির উইকেটটাও বেশ ট্রিকি ঠেকছিল একেবারে ম্যাচের শুরু থেকেই। তাইতো দিল্লি ক্যাপিটালসের সংগ্রহ ছিল মোটে ১৬২। তাতে অবশ্য ব্যাঙ্গালুরুর বোলারদের দারুণ বোলিংয়েরও রয়েছে অবদান।

আপনি রান তাড়া করছেন, দল বিপদের মুখে পড়েছে- এমন মুহূর্তে বিরাট কোহলির চাইতে সেরা বিকল্প খুঁজে পাওয়া দায়। তিনি বাইশ গজে ছিলেন। তার সাথে এসে যুক্ত হন ক্রুনাল। অভিজ্ঞ বিরাটের উপর থেকে চাপ কমাতে বাইশ গজের কর্তৃত্ব নিজের কাছে নিয়ে নিলেন ক্রুনাল। ব্যাটের আঘাতে পরিচালিত করতে থাকেন ম্যাচের গতিপথ।
বিরাটের সাথে ১১৯ রানের জুটি গড়েন তিনি। দুই জনে ফিফটির দেখা পেলেও আক্রমণের ব্যাটনটা ছিল ক্রুনালের হাতে। দিল্লির বোলারদের চাপকে প্রশমিত করেন ক্রুনাল ১৫৫ স্ট্রাইকরেটে একটা দায়িত্বশীল তবুও মারকুটে ইনিংস খেলে।
শেষ অবধি বিরাট জয়ের বন্দরে ভেড়াতে পারেননি তরী। তার আগেই আউট হয়েছেন। তেমনটি না ঘটলে হয়ত ক্রুনাল হতে পারতেন দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। শেষবেলায় মাঝখানে আগমন টিম ডেভিড নামক এক টর্নেডোর।












