মেগা ফাইনালে বিধ্বংসী রুপে ফিরলেন অভিষেক শর্মা। ফেরালেন ২০২৪ বিশ্বকাপে বিরাট কোহলির স্মৃতি। গোটা টুর্নামেন্ট জুড়ে যাচ্ছেতাই ব্যাটিং করা অভিষেক নিউজিল্যান্ডের বোলারদের তুলোধুনো করলেন। দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। দলকে এনে দিলেন চিরচেনা উড়ন্ত সূচনা।
ফাইনালের জন্যই যেন সবটা জমিয়ে রেখেছিলেন অভিষেক শর্মা। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়েছে। সাথে উপকার করেছে নিউজিল্যান্ডের পেসাররাও। তাকে ফর্মে ফেরার সমস্ত পথ তৈরি করে দিয়েছেন ব্ল্যাকক্যাপস পেসাররা। অভিষেকের বাইশ গজে থিতু হতে প্রয়োজন হয় অফসাইডে ফুলার লেন্থের বল। সে বলগুলো করেই খাল কেটে কুমির এনেছেন ম্যাট হেনরিরা।
আর সেই মঞ্চের উপর দাঁড়িয়ে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ডটা গড়লেন অভিষেক। ধুন্ধুমার ব্যাটিংয়ের চিরায়ত ধারা ফেরত এনে তিন আহমেদাবাদে নামিয়ে আনলেন ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের বিরাট কোহলিকে। পুরো আসর জুড়ে অফফর্মে থাকার পর বিরাট কোহলি আপন শক্তিতে জ্বলে উঠেছিলেন ফাইনালে।

প্রথম সাত ম্যাচে বিরাটের সংগ্রহ ছিল ৭৫ রান। সেই বিরাট ফাইনালে খেলেন ৭৬ রানের ম্যাচ জয়ের অন্যতম কার্যকর এক ইনিংস। সেই একই পথে হেটেছেন অভিষেকও। পুরো আসরে ৮৯ রান করেছিলেন সাত ম্যাচে। একটাই ফিফটি তিনি হাঁকিয়েছিলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। ধারণা ছিল তাকে ফাইনালের একাদশ থেকে বাদ দেওয়া হতে পারে।
কিন্তু এমন ব্যাটিং দানবদের সবসময় সঙ্গ দিয়ে যেতে হয়। ভারতের টিম ম্যানেজমেন্ট সে কাজটাই করে গেছেন। আর ফল ধরা দিয়েছে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে। স্রেফ ১৮ বলে ৫০ রানের গণ্ডি পেরিয়েছেন তিনি। তার ব্যাটের বেধম প্রহারে প্রথম পাওয়ার প্লে-তেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যাওয়ার উপক্রম হয় নিউজিল্যান্ডের।
শেষ অবধি নিউজিল্যান্ডকে রক্ষা করেন রাচিন রবীন্দ্র। ২১ বলে ৫২ রান করা অভিষেককে থামান রবীন্দ্র। নতুবা যে ধারায় অগ্রসর হচ্ছিলেন অভিষেক, তাতে ব্যাট হাতে বাইশ গজে নামার আগেই সমাধি তৈরি হয়ে যেত নিউজিল্যান্ডের।












