শততম ম্যাচ স্মরণীয় করতে পারবেন লিটন?

৯১৩ দিন তিনি পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেটে হাফ সেঞ্চুরি পান না। এর মধ্যেই লিটন দাসের সামনে অপেক্ষা করছে একটি মাইলফলক। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নামলেই ১০০ ম্যাচের ক্লাবে ঢুকে পড়বেন লিটন কুমার দাস। 

৯১৩ দিন তিনি পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেটে হাফ সেঞ্চুরি পান না। এর মধ্যেই লিটন দাসের সামনে অপেক্ষা করছে একটি মাইলফলক। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নামলেই ১০০ ম্যাচের ক্লাবে ঢুকে পড়বেন লিটন কুমার দাস।

বাংলাদেশের হয়ে এর আগে মাত্র ১৩ জন ক্রিকেটার এই মাইলফলক ছুঁতে পেরেছেন। সেই তালিকায় নাম লেখানো মানে শুধু একটা সংখ্যা ছোঁয়া না—মানে সময়ের পরীক্ষায় টিকে থাকা, বারবার সুযোগ পাওয়া, আবার নিজেকে প্রমাণ করা।

লিটনের এই যাত্রাটা সহজ ছিল না। কখনো দারুণ, কখনও হতাশাজনক—তার ক্যারিয়ারটা পুরোটা সময়ই সমর্থকদের দিয়েছে মিশ্র অভিজ্ঞতা। ৯৯ ম্যাচে গড় ৩০-এর একটু ওপরে, সর্বোচ্চ ১৭৬—যে ইনিংসটা আজও তার ব্যাটিংয়ের পরিচয় হয়ে আছে। মাঝে মাঝে মনে হয়েছে, এই তো লিটন নিজের ছন্দ খুঁজে পেয়েছেন। আবার হঠাৎই ছন্দ হারিয়েছেন।

আরেকটা জায়গায় লিটনের সামনে বড় দরজা খোলা। বাংলাদেশের হয়ে তিন ফরম্যাটে ১০০ ম্যাচ খেলার গৌরব এখনো একমাত্র মুশফিকুর রহিমের। সাদা বলের দুই ফরম্যাটে ১০০ ম্যাচ খেলেছেন মাত্র তিনজন—সাকিব, মাহমুদউল্লাহ, মুস্তাফিজ। সবকিছু ঠিক থাকলে খুব শিগগিরই সেই তালিকায়ও যোগ দেবেন লিটন।

তবে মাইলফলক সবসময় সুখস্মৃতি নিয়ে আসে না—এই অভিজ্ঞতাও তার আছে। ২০২৫ সালে টি-টোয়েন্টির শততম ম্যাচে, লাহোরে পাকিস্তানের বিপক্ষে, ব্যাট হাতে করেছিলেন মাত্র ৬ রান। দলও হেরেছিল। সেই দিনটা হয়তো এখনও কোথাও তাঁর মনে খচখচ করে।

তাই এবার সুযোগটা অন্যরকম। গেল তিনটা ওয়ানডেতে ভাল শুরু পেয়েছেন। নিজের ইনিংসকে ৪০-এর ওপর নিয়ে গেছেন। অপেক্ষা কেবল একটা বড় ইনিংসের। মাইলফলকটাকে কি তিনি নিজের মতো করে রাঙাতে পারবেন? উত্তরের জন্য সময়ের অপেক্ষা করার কোনো বিকল্প নেই।

Share via
Copy link