রিঙ্কুর হাত ধরে কলকাতার প্রথম জয়!

কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে কিছু ঋণ ছিল রিঙ্কু সিংয়ের। ইডেন গার্ডেন্সে সেটাই সুদে আসলে পরিশোধ করলেন রিঙ্কু। রাজস্থান রয়্যালসের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিলেন অধরা জয়। সেই সাথে ঘোষণা দিয়ে গেলেন, দ্য ফিনিশার ইজ ব্যাক।

কলকাতা নাইট রাইডার্সের কাছে কিছু ঋণ ছিল রিঙ্কু সিংয়ের। ইডেন গার্ডেন্সে সেটাই সুদে আসলে পরিশোধ করলেন রিঙ্কু। রাজস্থান রয়্যালসের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিলেন অধরা জয়। সেই সাথে ঘোষণা দিয়ে গেলেন, দ্য ফিনিশার ইজ ব্যাক।

একটা জয় যেন সোনার হরিণ, কোনভাবেই তাঁর নাগাল পাচ্ছিল না কলকাতা। অবশেষে সাত নম্বর ম্যাচে এসে কাঙ্খিত জয়ের স্বাদ পেল কলকাতা। আর যার হাত ধরে এলো তিনি রিঙ্কু সিং, অসম্ভবকে সম্ভব করা যার কাজ।

লক্ষ্যটা ছিল ১৫৬ রানের, ইডেন গার্ডেন্স যেন ব্যাটারদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। এই রান তাড়া করা তাই খুব একটা সহজ কাজ ছিল না। এর মধ্যেই আবার পাঁচ রানে ফিরে গেছে দুই ওপেনার। ৫২ রানে চার উইকেট হারানো দলটার সামনে আরও এক পরাজয় হাতছানি দিয়ে ডাকছে তখন।

সেসময়টাই মঞ্চে এলেন রিঙ্কু। তিনি জানতেন শেষ ভরসা তিনি। তবে পাড়ি দিতে হবে উত্তাল এক সমুদ্র, মাস্তুল ভাঙা জাহাজ নিয়ে যেতে তীরে। যখন উইকেটে এলেন জেতার জন্য তখনও দরকার ১০৪ রান। রিঙ্কু নিজেকে পরিণত করলেন শান্ত নদীতে। সময়ের প্রয়োজন মৃদু ঢেউয়ে পরিণত হয়েছেন, তবে পুরোটা সময় থেকেছেন সদা সতর্ক।

মাথার কাজ করছিল একটা কথায়, জেতাতে হবে দলকে, নিজেকে ফেরাতে হবে ছন্দে। শেষ তিন ম্যাচে রান করেছিলেন মোটে ১১। সেই চাপটাও তাই বেশ আয়োজন করে তাঁর ঘাড়ে চেপেছিল। তবে রিঙ্কু হার মারলেন না, চাপের বলয় ভেদ করে দলকে এনে দিলেন এবারের আসরের প্রথম জয়। কলকাতা জিতল চার উইকেটের ব্যবধানে।

নিজের ব্যাট থেকে এসেছে ৩৪ বলে ৫৩ রানের ইনিংস। এটাই মূলত রিঙ্কুকে আরও একবার চিনিয়ে গেল, জাত ফিনিশার তো একেই বলে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link