নিজের বিশ্বাস বা বোকামিতে আউট!

ঈশান কিষাণ যখন সাজঘরে পৌঁছে গেছেন তখন - স্নিকোমিটার বলছে, ব্যাটের সাথে বলের কিছুই ছিল না! ব্যাটে বলের ছোঁয়ার প্রমাণ মেলেনি। অর্থাৎ, কিষান না হাঁটলে বেঁচে যেতেন, আউটও হতেন না। স্কোরকার্ড বলবে না, স্রেফ নিজের বোকামির জন্য সাজঘরে ফিরতে হয়েছে ঈশান কিষাণকে!

এতটা টুইস্ট আজকাল মালায়ালাম থ্রিলার ছবিতেও দেখা যায় না। তেমনই এক সিনেমার মঞ্চায়ন হল আইপিএলে! সেখান সাবেক দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের জন্য নায়ক বনে গেলেন ঈশান কিষান, দলের জন্য হলেন ভিলেন। আর ক্রিকেটের জন্য হলেন স্রেফ ট্রলের পাত্র।

হায়দ্রাবাদের মাঠে ঘটনার সূত্রপাত ম্যাচের তৃতীয় ওভারে। দিপক চাহারের বলটা লেগ সাইডে সুইং করে বেরিয়ে যাচ্ছিল। কট বিহাইন্ডের আবেদন করেছিল হার্দিক পান্ডিয়ার দল। আম্পায়ার সেটাকে পাত্তা না দিয়ে ওয়াইড দিলেন। কিন্তু, হঠাৎ করেই দৃশ্যপট বদলে গেল।

ঈশান কিষাণ নিজেই হাঁটতে শুরু করলেন প্যাভিলিয়নের দিকে। একটা সম্ভাবনা ছিল, তবে মুম্বাইয়ের কেউই-ই জোরালো আপিল করেননি। আম্পায়ার হয়তো হঠাৎ লক্ষ্য করলেন কিষানকে হাঁটতে, আর তখনই তুললেন আঙুল! সিদ্ধান্ত পাল্টে গেল —ওয়াইড থেকে আউট!

হার্দিক এসে মাথায় হাত বুলিয়ে দিলেন কিষানকে—স্পোর্টসম্যানশিপের জন্য বাহবা। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায় — এমন আত্মঘাতী সততা কি টি-টোয়েন্টির যুগে বুদ্ধিমানের কাজ? আসলে স্পোর্টসম্যানশিপ পরের ঘটনা, আদতে আউটই হননি ঈশান। না ফিরে গেলেও পারতেন।

এই নাটকে সবচেয়ে নাটকীয় বাঁক এল এরপরই। ঈশান কিষাণ যখন সাজঘরে পৌঁছে গেছেন তখন – স্নিকোমিটার বলছে, ব্যাটের সাথে বলের কিছুই ছিল না! ব্যাটে বলের ছোঁয়ার প্রমাণ মেলেনি। অর্থাৎ, কিষান না হাঁটলে বেঁচে যেতেন, আউটও হতেন না। স্কোরকার্ড বলবে না, স্রেফ নিজের বোকামির জন্য সাজঘরে ফিরতে হয়েছে ঈশান কিষাণকে!

Share via
Copy link