কোহলির সেরা ঘাতক

এই মুহুর্তে বিশ্বক্রিকেটের সবচেয়ে সফল ব্যাটসম্যানের নাম বিরাট কোহলি। ভারতের এই অধিনায়ক নিজেকে ও নিজের দলকে নিয়ে গিয়েছেন অনন্য উচ্চতায়। লম্বা সময় ধরে সেঞ্চুরির দেখা না পেলেও তাঁকে এখনই সেরাদের সারি থেকে বাদ দিয়ে দেয়া যাবেনা। কিছুদিন আগেই পূর্ণ করেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৩ হাজার রানের মাইলফলক।

ফলে বিরাট কোহলির মত একজন ব্যাটসম্যানকে আউট করা বিশ্বের যেকোনো বোলারদের জন্যই দারুণ ব্যাপার। কিছুদিন আগে জেমস অ্যান্ডারসনের মত কিংবদন্তি পেসারকেও দেখা গিয়েছে কিভাবে কোহলির উইকেট নিয়ে উল্লাস করেছেন। ফলে তাঁর উইকেটটা যে কতটা দামী সেটা সবাই জানে।

একটা ব্যাপার সত্যি যে, এখনকার ক্রিকেটে বিরাট কোহলিকে নিয়মিত ভোগাতে পেরেছেন এমন বোলার খুঁজে পাওয়া মুশকিল। তবুও, এমন কয়েকজন বিরল বোলার আছেন – যাদের বিপক্ষে ব্যাট করতে পা কাঁপে কোহলি। কারা তাঁরা? – তাঁদের নিয়েই এবারের আয়োজন।

  • বেন স্টোকস (ইংল্যান্ড)

ইংল্যান্ডের বোলারদের বিপক্ষে সবময়ই একটু স্ট্রাগল করে থাকেন বিরাট কোহলি। ইংল্যান্ডের তারকা অলরাউন্ডার বেন স্টোকসের বিপক্ষে বেশ নড়বরে এই ব্যাটসম্যন।

বেন স্টোকস আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোহলিকে এখন পর্যন্ত ৮ বার আউট করেছেন। এরমধ্যে ৫ বার টেস্টে ও ৩ বার করেছেন ওয়ানডে ক্রিকেটে। স্টোকসের বিপক্ষে কোহলির টেস্টে ব্যাটিং গড় ৪৪.৪ এবং ওয়ানডে ক্রিকেটে ৩০.৩।

  • আদিল রশিদ (ইংল্যান্ড)

ইংল্যান্ডের আরেক বোলারও আছেন এই তালিকায়। ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা এই স্পিনার আদিল রশিদ। তিন ফরম্যাটেই ইংল্যান্ডের এই লেগ স্পিনারের বিপক্ষে ভুগেছেন ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এখন অবধি কোহলিকে মোট ৯ বার আউট করেছেন এই বোলার।

টেস্ট ক্রিকেটে ৪ বার, ওয়ানডেতে ৩ বার ও টি-টোয়েন্টিতে ২ বার কোহলিকে আউট করেন এই বোলার। যদিও রশিদের বিপক্ষে কোহলির ব্যাটিং গড় অসাধারণ। ৭২.২ গড়ে টেস্টে রান করেছেন ২৮৯। ওয়ানডেতেও রান করেছেন ৩৬ গড়ে। ওদিকে টি-টোয়েন্টিতে রশিদের বিপক্ষে রান করেছেন ৩১.৫ গড়ে।

  • টিম সাউদি (নিউজিল্যান্ড)

তিন ফরম্যাটে নিউজিল্যান্ডের বোলিং আক্রমণের মূল ভরসার নাম টিম সাউদি। দারুণ পেসে দুই দিকে বল স্যুইং করাতে পারেন এই পেসার। এছাড়া যেকোন কন্ডিশনেই বেশ কার্যকর সাউদি। নিউজিল্যান্ডের এই পেসার বিরাট কোহলিকে এখন অবধি আউট করেছেন মোট ১০ বার।

টেস্টে বিরাট কোহলিতে এই পেসার আউট করেছেন ৩ বার। এছাড়া ওয়ানডেতে ৬ বার ও টি-টোয়েন্টিতেও একবার কোহলিকে আউট করেছেন এই পেসার। ওয়ানডেতে সাউদির বিপক্ষে ৩৪.২ গড়ে ২০৫ রান করেছেন কোহলি।

  • জেমস অ্যান্ডারসন (ইংল্যান্ড)

টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা পেসারদের একজন জেমস অ্যান্ডারসন। বয়সের সাথে সাথে তাঁর বোলিং এর ধার ও যেনো বেড়েই চলেছে। ৩৯ বছর বয়সেও টেস্ট ক্রিকেটে দুরন্ত এক পেসার অ্যান্ডারসন। বিরাট কোহলিকে আউট করাতেও বেশ পারদর্শী এই পেসার।

এখন অবধি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোহলিকে মোট ১০ বার আউট করেছেন ইংল্যান্ডের এই পেসার। শুধু ২০১৪ সালেই বিরাট কোহলিকে চার বার আউট করেছিলেন অ্যান্ডারসন। এছাড়া চলমান টেস্ট সিরিজেও কোহলিকে ইতোমধ্যে দুইবার আউট করেছেন তিনি। টেস্টে সব মিলিয়ে কোহলিকে মোট ৭ বার আউট করেছেন তিনি। এছাড়া ওয়ানডে ক্রিকেটে দিরিয়েছেন তিন বার।

  • মঈন আলী (ইংল্যান্ড)

এই তালিকাটি দেখলেই বোঝা যায় ইংল্যান্ডের বোলারদের বিপক্ষে কতটা অসহায় বিরাট কোহলি। ইংল্যান্ডের চতুর্থ বোলার হিসেবে এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন মঈন আলী। ইংল্যান্ডের এই স্পিনারও বিরাট কোহলিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আউট করেছেন মোট ১০ বার।

ওয়ানডে ক্রিকেটে মঈন আলীর বিপক্ষে মোট ৮৯ রান করেছেন। এরমধ্যে আউট হয়েছেন তিন বার। এছাড়া টেস্টে ১৯৬ রান করে আউট হয়েছেন ৬ বার। এছাড়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটেও কোহলিকে একবার আউট করেছেন মঈন আলী।

 

লেখক পরিচিতি

আমার ডায়েরির প্রতিটা পৃষ্ঠাই আমার বাইশ গজ।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link