সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো আক্রোশের শিকার হলেন জোফরা আর্চার। কুইন্টন ডি ককের সেঞ্চুরি ঠেকাতে ইচ্ছাকৃতভাবে বারবার ওয়াইড বল করে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। বল হাতে তো নিস্প্রভ তো হয়ে উঠেছেনই, সাথে যুক্ত হল এবার স্পোর্টসম্যানশিপটা হারানোর রবটাও।
রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে হেসেখেলেই জয় পেয়েছে কলকাতা নাইট রাইর্ডাস। ৯৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন ডি কক। যদিও ম্যাচের শেষভাগে সেঞ্চুরি করার সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন তিনি। ডি কক যখন ৯১ রানে ব্যাট করছিলেন তখন দলের প্রয়োজন মোটে সাত রান। টানা দুইটা ওয়াইড বল করেন তখন আর্চার। পরে ছক্কা মেরে দলকে জিতিয়ে দিলেও সেঞ্চুরিটা আর করার উপায় থাকে না তখন।
যদিও এই দক্ষিন আফ্রিকান ক্রিকেটার এ নিয়ে তেমন হাপিত্যেশ করেননি। তবে অনেক ভক্ত-সমর্থকরা বেশ ক্ষিপ্ত হয়েছেন আর্চারের এমন আচারণে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধুয়ে দিয়েছেন এই ইংলিশ পেসারকে। তাদের দাবি, সেঞ্চুরিটা ঠেকাতে ইচ্ছা করে ওয়াইড বল করেছেন আর্চার।

সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ‘এক্স’ এ চলছে তুমুল সমালোচনা। একজন লিখেছেন, ‘স্পোর্টসম্যানশিপ স্প্রিরিট অথবা গেমের স্প্রিরিট সব কিছুকেই আজ প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিলেন আর্চার। তার এমন অদ্ভুত আচারণে নিজের প্রাপ্য সেঞ্চুরিটা পেলেন না ডি কক।’
আরেকজন লিখেছেন, ‘এটা সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃত। আর্চার বেহুদা ওয়াইড বল করে ডি কককে সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত করল। যাইহোক আমরা ৯৭ রানেই খুশি।’ কেও কেও তো আরও একহাত নিয়েছেন এই পেসারের বিরুদ্ধে। তারা বলছেন, জোফরা আর্চার নির্লজ্জের মত একটা কাজ করল। এভাবে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করানোটা উচিত হয়নি। তবে কুইন্টনকে টুপি খোলা অভিবাদন। প্রকৃত স্পোর্টসম্যানশিপ সবসময়ই এগিয়ে যায়।
গোহাটির স্লো পিচে রাজস্থান সুবিধাই করতে পারেনি, গুটিয়ে যায় মোটে ১৫১ রানে। যদিও ডি কক বেশ সাবলীল ব্যাটিং করে গেছেন পুরোটা সময়। দলকে জিতিয়ে দিয়েছেন ১৫ বল আগেই। আর আর্চার আছেন ঠিক উল্টো দশায়। আগের ম্যাচেই ৭৬ রান হজম করে হয়েছিলেন আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে খরুচে বোলার। এদিনও দুই ওভার তিন বল করে রান খেয়েছেন ৩৩, ছিলেন উইকেট শূন্যও। এই ম্যাচেই তার বিরুদ্ধে আট বলে ২৮ রান তুলেছেন ডি কক। প্রতিশোধ পরায়ণ হয়েই এমনটা করলেন না তো আর্চার! এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে ভক্ত-সমর্থকদের মনে।











