আড়ালের নায়ক বিনুরা ফার্নান্দো!

নীরবে-নিভৃতে লড়ে গেছেন বিনুরা ফার্নান্দো। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে খুঁজে দিয়েছেন ফাইনালের পথ। ক্র্যাম্পে জর্জরিত পা নিয়ে বোলিং করা থেকে শুরু করে ডেথ ওভারে রাজশাহীকে আগলে রাখা, সবই করে গেছেন লোকচক্ষুর আড়ালে।

নীরবে-নিভৃতে লড়ে গেছেন বিনুরা ফার্নান্দো। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে খুঁজে দিয়েছেন ফাইনালের পথ। ক্র্যাম্পে জর্জরিত পা নিয়ে বোলিং করা থেকে শুরু করে ডেথ ওভারে রাজশাহীকে আগলে রাখা, সবই করে গেছেন লোকচক্ষুর আড়ালে।

যখন উইকেট দরকার, নাজমুল হোসেন শান্তকে ভরসা জুগিয়েছেন বিনুরা। আবার ডেথ ওভারের ভাগ্য নির্ধারণ করতেও রেখেছেন কার্যকর ভূমিকা। আসরজুড়ে এক আস্থার নাম হয়ে থেকেছেন রাজশাহীর ডেরায়। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারেও সেই আস্থার প্রতিদানটাই দিলেন লঙ্কান এই পেসার।

শুরুটা করেছিলেন জাকির হাসানকে দিয়ে। ১৬৫ রান ডিফেন্ড করতে নেমে প্রথম ওভারেই তুলে নেন সিলেটের এই ওপেনারকে। পরের ওভারে আবারও এসে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলামকে। ব্যাস, রাজশাহীর পথ তখন অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যায়।

এরপর বিনুরার আগমন ঘটে ডেথ ওভারে। তখনও যে সিলেটের আশা বেঁচে আছে। তবে সেটাকে বেশিক্ষণ বাঁচিয়ে রাখলেন না বিনুরা। দুই উইকেট তুলে নিলেন, খরচা করলেন মাত্র পাঁচ রান।

শেষ ওভারে তাঁর জন্য বেঁধে দেওয়া হলো ২৪ রান। ক্রিস ওকসের কাছে এক ছক্কা হজম করলেও শেষমেশ খরচা করেন মাত্র ১১ রান। তাতেই ফাইনালের টিকিট হাতে পেয়ে যায় রাজশাহী।

বিনুরার স্পেল দাঁড়ায় চার ওভারে ১৯ রান খরচায় চার উইকেট। বাঁচা-মরার ম্যাচে এমন পারফরম্যান্সটাই যে পার্থক্য গড়ে দিয়েছে। ম্যাচসেরার পুরস্কারটাও উঠেছে তাঁর হাতেই। তবে এই এক ম্যাচ নয়। বিনুরা যে পুরো আসরেই রাজশাহীকে লাক্সারি এনে দিয়েছেন। ১০ ম্যাচ খেলে ১৪ উইকেট পুরেছেন নিজের ঝুলিতে। ইকোনমি রেট ছয়ের সামান্য ওপরে। মূল চরিত্রে না থেকেও নীরবে দলকে উজাড় করে দিয়ে গেছেন। এবার কেবল বাকি একটা লড়াই।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link