সাতশ গোলের সাতকাহন

লিওনেল মেসি ক্যারিয়ারে মোট ম্যাচ খেলেছেন ৮৬২ টি। এই ৮৬২ ম্যাচে মেসি মাঠে কাটিয়েছেন ৬৯,৯৭৯ মিনিট। বার্সেলোনার জার্সিতে ৭২৪ ম্যাচে ৬৩০ গোল করেছেন। মাঠে ছিলেন ৫৮,৬৬৪ মিনিট। আর্জেন্টিনার জার্সিতে ১৩৮ ম্যাচে করেছেন ৭০ গোল। মাঠে ছিলেন ১১২৯৫ মিনিট।

নিদিষ্ট পজিশন থেকে মেসির ৭০০ গোল

  • রাইট উইংগার – ৩৩৯ গোল।
  • সেন্টার ফরওয়ার্ড – ২৬৯ গোল।
  • সেকেন্ড স্ট্রাইকার – ৭৪ গোল।
  • লেফট্ উইংগার – ২ গোল।
  • অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার – ১৬ গোল।

নিদিষ্ট প্রতিযোগিতায় আলাদা আলাদা ভাবে কেমন গোল করেছেন মেসি? এক পলকে সেই দিকে চোখ বুলানো যাক:

ক্লাব ফুটবলে

বার্সেলোনার হয়ে লা লিগায় ৪৮০ ম্যাচে মেসি করেছেন ৪৪১ গোল। মাঠে ছিলেন ৩৮৬৭০ মিনিট। উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৪১ ম্যাচে করেছেন ১১৪ গোল। মাঠে ছিলেন ১১৬৬২ মিনিট। কোপা ডেল রে-তে ৭৫ ম্যাচে করেছেন ৫৩ গোল। মাঠে ছিলেন ৬০০১ মিনিট। ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে ৫ ম্যাচে করেছেন ৫ গোল। মাঠে ছিলেন ৪২৭ মিনিট। উয়েফা সুপার কাপে ৫ ম্যাচে করেছেন ৩ গোল। মাঠে ছিলেন ৪২০ মিনিট। সুপার কোপা’য় ১৯ ম্যাচে করেছেন ১৪ গোল। মাঠে ছিলেন ১৫৫৪ মিনিট।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে

আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবলে আর্জেন্টিনার হয়ে ৪৭ ম্যাচে মেসি করেছেন ৩৪ গোল। মাঠে ছিলেন ৩৬১৮ মিনিট। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে ৪৫ ম্যাচে করেছেন ২১ গোল। মাঠে ছিলেন ৩৭৭৫ মিনিট। কোপা আমেরিকায় ২৭ ম্যাচে করেছেন ৯ গোল। মাঠে ছিলেন ২২২৭ মিনিট। বিশ্বকাপে ১৯ ম্যাচে করেছেন ৬ গোল। মাঠে ছিলেন ১৬২৫ মিনিট।

২০০৫ থেকে ২০২০

মেসির গোল করার শুরু হয়েছে ২০০৫ সাল থেকে। প্রথম বছর করেন পাঁচটি গোল। এরপর ২০০৬ থেকে থেকে শুরু করে ২০১৯ সাল পর্যন্ত যথাক্রমে ১২, ৩১, ২২, ৪১, ৬০, ৫৯, ৯১, ৪৫, ৫৮, ৫২, ৫৯, ৫৪, ৫১ ও ৫০ গোল করেন। চলতি বছর এখন অবধি করেছেন ১২ টি গোল।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link